মার্চ ৩১, ২০২০

আজকের মঠবাড়িয়া

সত্য প্রচারে সোচ্চার

” মৃত্যুকে যাঁরা তুচ্ছ করিল
ভাষা বাঁচাবার তরে
আজিকে স্মরিও তারে।
কোথায় বরকত কোথায় সালাম
সারা বাংলা কাঁদিয়া মরে
আজিকে স্মরিও তারে।
যে রক্তের বানে
ইতিহাস  হলো লাল,
যে মৃত্যুর  গানে
জীবন জাগে বিশাল
সে জাগে এ ঘরে ঘরে
আজিকে  স্মরিও তারে।
এই দেশ আমার  এই ভাষা  আমার
এ নহে দাবী  এ যে অধিকার
গড়িব আবার  লড়িব আবার
ভাসিবো রক্ত বয়ে
আজিকে স্মরিও তারে।
মোশারেফ উদ্দিন  আহমদ – এর ভাষার  গানটি  দিয়ে শুরু করছি।১৯৫২ সালের  ২১
ফেব্রুয়ারী  রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনে শহীদের  স্মরণে  তিনি ১৯৫৩ সালের
ফেব্রুয়ারী  মাসে এ গানটি রচনা করেন। ভাষা আন্দোলন  সম্পর্কে  এটাই
প্রথম গান।এ গানটির  সুরারোপ করেন প্রখ্যাত সুরাকার আলতাফ মাহমুদ। এ
গানটি  ১৯৫৩ সালের  অমর ২১ ফেব্রুয়ারী  প্রভাত ফেরীতে পরিবেশিত হয়।
রাষ্ট্র ভাষা বাংলা আন্দোলনের এ সৈনিক  ১৯৫৬ সালের ১৩ ডিসেম্বর  পানি ও
সেচ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী  পদে কর্মরত অবস্হায় মৃত্যু বরন করেন।
তিনি ছিলেন  জাতীয় নেতা  মহিউদ্দিন আহমেদ এর  অগ্রজ। তিনি ১৯২০ সালে
পিরোজপুর জেলার  মঠবাড়িয়া উপজেলার গুলিসাখালী গ্রামের একটি  রাজনৈতিক
পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।  তাঁর  পিতা আজাহার উদ্দিন আহমেদ ১৯২০-২৬ সাল
পর্যন্ত বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য ছিলেন।  মোশারেফ উদ্দিন আহমেদ  ছিলেন
ভাষা আন্দোলনের নিবেদিত কর্মী।  তিনি  কলকাতার  শিবপুর  ইজ্ঞিনিয়ারিং
কলেজ থেকে বি,এস- সি ইজ্ঞিনিয়ার পাস করে সার্ভয়ার  জেনারেল অফ পাকিস্তান
দপ্তরে যোগদান করেন।  তিনি ছিলেন গঙ্গা- কপোতাক্ষ প্রকল্পের প্রথম
পরিচালক। সরকারী চাকরী করেও তিনি  ভাষা আন্দোলন সহ গণতান্ত্রিক
আন্দোলনের সাথে  নেপথ্যে সম্পৃক্ত থেকে  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
মাতৃভাষা  আন্দোলনে তাঁর অবদানের জন্যে সরকার  ২০১১ সালে  তাঁকে একুশে
পদক ( মরণোত্তর)  প্রদান করেন।
মঠবাড়িয়ার আরেক ভাষা সৈনিক  হচ্ছেন জাতীয় নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি
ছাত্র  জীবন থেকে রাজনীতি শুরু করেন মুসলিম লীগের মাধ্যমে। তিনি ১৯৫০ সাল
পর্যন্ত বৃহত্তর  বরিশাল জেলা বর্তমানে বিভাগ – এর মুসলিম লীগের সম্পাদক
ছিলেন।  তখন পূর্ব বাংলা  মুসলিম লীগ  নুরুল আমিন  এবং  হামিদুল হক
চৌধুরী দু গ্রুপে  বিভক্ত ছিল। মহিউদ্দিন আহমেদ হামিদুল হক চৌধুরীর
গ্রুপে ছিলেন। ১৯৫০ সালের  জানুয়ারী মাসে পূর্ব বাংলা মুসলিম লীগের
কাউন্সিল  অধিবেশনে নুরুল আমিন এবং  হামিদুল হক চৌধুরী গ্রুপের মধ্যে
সংঘর্ষ  হলে মহিউদ্দিন আহমেদ এবং হামিদুল হক চৌধুরীকে মুসলিম লীগ থেকে
বহিষ্কার করা হয়। ১৯৫১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারী  মহিউদ্দিন আহমেদকে বরিশাল
থেকে  জননিরাপত্তা  আইনে  পুলিশ গ্রেফতার করে  ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে
প্রেরণ করেন।  ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে  থাকাকালে  তিনি  বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমানের সান্নিধ্যে আসেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৯
সালের ডিসেম্বর মাসে জননিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার হন। তাঁরা দুজনেই
কারাগারের একই কক্ষে পাশাপাশি  থাকতেন। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে
রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবীতে ঢাকায়  আন্দোলন শুরু হলে তাঁরা দুজনেই
কারাগার থেকে  এ আন্দোলনকে সমর্থন করেন এবং  দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সে সময়ে ভাষা আন্দোলন প্রচারের বাহন ছিল পাকিস্তান  অবজারভার  পএিকা। এ
পএিকা  সারা দেশে বাঙ্গালীর ঘরে ঘরে ভাষা আন্দোলনের সংবাদ বহন করে।সরকার
১৩ ফেব্রুয়ারী পএিকাটির প্রকাশনা বন্ধ করে দেয় এবং এর সম্পাদক আবদুস
সালামকে গ্রেফতার করে। রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবীতে ১৬ ফেব্রুয়ারী থেকে
আমরণ অনশন শুরু  করার হুমকি দিয়ে ৬ ফেব্রুয়ারী আই,জি, প্রিজনের মাধ্যমে
মূখ্য মন্ত্রী  নুরুল আমিনের  নিকট  দরখাস্ত  করেন। দরখাস্তে বলা হয় যে,
দীর্ঘদিন ধরে  বিনা বিচারে কারাগারে  আছি।১৫ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে  মুক্তি
না দিলে ১৬ ফেব্রুয়ারী থেকে   আমরণ অনশন শুরু করা হবে। ভাষা আন্দোলনে
বঙ্গবন্ধুর প্রভাব লক্ষ্য করে সরকার  ভীত হয়ে তাঁদেরকে ১৬ ফেব্রুয়ারী
সকালে ফরিদপুর কারাগারে স্থানান্তর করার জন্যে  নারায়ণগঞ্জ স্টিমার ঘাটে
নেয়া হয়।ওই সময়ে ঢাকা- ফরিদপুরের মধ্যে যাতায়াতের মাধ্যম ছিল
স্টিমার।পুলিশ  তাঁদেরকে নিয়ে স্টিমার ঘাটে পৌঁছার পূর্বেই স্টিমার
গোয়ালন্দের উদ্দেশ্যে  নারায়ণগঞ্জ ত্যাগ করে।
স্টিমার ঘাটে নারায়ণগঞ্জের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ শামসুজ্জোহা,বজলুর  রহমান,
আলমাস আলী,  মহিউদ্দিন আহমেদের অগ্রজ মোশারেফ উদ্দিন , শফি সাহেব সহ
অনেকেই তাঁদের সাথে সাক্ষাৎ করেন।  এ সময়ে  মহিউদ্দিন আহমেদের অগ্রজ
মোশারেফ উদ্দিন আহমেদ  তাঁকে ১০০/ – টাকা দেন।বরিশালে রাষ্ট্র ভাষা
আন্দোলন  পরিচালনার জন্যে মহিউদ্দিন আহমেদ  ওই
১০০/- টাকা বরিশালে পাঠিয়ে দেন। স্টিমার নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে  যাওয়ায়
তাঁদেরকে থানায় নেয়া হয় এবং  রাত ১০ টায় তাঁদেরকে স্টিমারে তোলা হয়। ১৭
ফ্রেব্রুয়ারী সকালে তাঁদেরকে ফরিদপুর কারাগারে  নেয়া হয়। খবর পেয়ে কতিপয়
রাজনৈতিক কর্মী কারাগার গেইটে উপস্হিত ছিলেন।  তাদের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিব  ও মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, রাষ্ট্র ভাষা বাংলার মর্যাদা
প্রতিষ্ঠার জন্যে আমরা দুজনে আমরণ অনশন শুরু করতে যাচ্ছি।আপনাদের সবার
আন্তরিক  সহযোগিতা কামনা করছি। কারাগারে পৌঁছে তাঁরা আমরণ অনশন শুরু
করেন।তাঁদের  অনশনের বিষয়টি পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সদস্য মিনসে
আনোয়ারা খাতুন ২০ ফেব্রুয়ারী  আইন পরিষদে উত্থাপন করে সভা মূলতবী রাখার
প্রস্তাব করেন। মূখ্য মন্ত্রী  নুরুল আমিন সহ সরকারী দলের সদস্যরা
বিরোধিতা করায়  প্রস্তাবটি নাকচ হয়।
এ সময়ে বরিশাল বি,এম,কলেজে  ভাষা আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব  দেন তাঁদের
মধ্যে ছিলেন  মঠবাড়িয়া উপজেলার কবুতরখালী গ্রামের  সন্তান মোঃ হাবিবুর
রহমান খান। তিনি  আই, এ,  ক্লাশের ছাত্র এবং বরিশাল ভাষা সংগ্রাম  কমিটির
সদস্য ছিলেন।উল্লেখ্য, রাষ্ট্র ভাষা পরিচালনার জন্যে বরিশালে ৮১ জন সদস্য
বিশিষ্ট  সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়। তাঁর ওপরে  গ্রেফতারী পরওয়ানা জারী হলে
তিনি গ্রামের বাড়িতে  আসেন। তিনি  গত শতাব্দীর ষাট দশকে গুলিসাখালী
জি,কে, ইউনিয়ন  হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
মঠবাড়িয়ায় রাষ্ট্র ভাষা  আন্দোলন পরিচালনার জন্যে  কে,এম,লতীফ
ইনস্টিটিউশনে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট  সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়। কমিটির সদস্য
ছিলেন বি,মজুমদার, আবদুল মজিদ রাজা মিয়া,আবদুল  কাদির মোল্লা (
বুকাবুনিয়া),আলী আহমেদ,  আবদুল হামিদ খান,  আবদুস সামাদ আকন, মহিউদ্দিন
আহমেদ  টুকু, গোলাম রহমান  প্রমুখ।
রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবীতে  ২১ ফেব্রুয়ারী সারা দেশে  হরতাল পালিত
হয়।ঢাকায় পুলিশের গুলিতে রফিক উদ্দিন, সালাহউদ্দিন, আবদুল জব্বার,আবুল
বরকত প্রমুখ  শহীদ হন এবং আহত হয় অনেকে। গ্রেফতার হন  কয়েক শত ব্যক্তি।
ফরিদপুর  হরতাল চলাকালে ছাত্র – জনতা স্লোগান দেয়, রাষ্ট্র ভাষা বাংলা
চাই,শেখ  মুজিবের মুক্তি চাই ইত্যাদি। আনশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এবং
মহিউদ্দিন আহমেদের  স্বাস্থ্যের  অবনতি হলে তাঁদের প্রতি সহানুভূতি
জানিয়ে  ফরিদপুর কারাগারের রাজবন্দীরা  ২৫ ফেব্রুয়ারী অনশন শুরু করেন।
বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিব  ঘোষণা করেন, বিনা বিচারে ২৬ মাস কারাগারে আছি।হয়
জীবিত  না হয় মৃত্যু অবস্হায় কারাগারের বাইরে যাব। অবস্হা বেগতিক দেখে
সরকার  বিনা শর্তে  ২৭ ফেব্রুয়ারী  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ২৮
ফেব্রুয়ারী মহিউদ্দিন আহমেদকে মুক্তি দেন।১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারী,হাজী
মোহাম্মদ  দানেশ, মহিউদ্দিন আহমেদ, কামরুদ্দিন আহমদ, দেওয়ান মাহবুব
আলী,মাহমুদ আলী প্রমুখ  গণতন্ত্রী দল গঠন করেন। পূর্ব বাংলার সাধারণ
নির্বাচনে মুসলিম লীগকে পরাজিত  করার জন্যে  শেরেবাংলা আবুল কাসেম ফজলুল
হক  ও মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর
যুক্তফ্রন্ট গঠন করলে গণতন্ত্রী দল এতে যোগদান করে। ১৯৫৪ সালের
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে  মুসলিম লীগ শোচনীয় পরাজয় বরণ করে।মুসলিম  লীগ মাএ
৯ টি আসন লাভ করে। মহিউদ্দিন আহমেদ মঠবাড়িয়া – পাথরঘাটা – বামনা  আসন
থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  পরামর্শে
তিনি ১৯৫৫ সালে গণতন্ত্রী দল ত্যাগ করে  আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।  পূর্ব
পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও পাকিস্তানের বৈদেশিক নীতি  নিয়ে  পাকিস্তানের
প্রধানমন্ত্রী  হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে মাওলানা আবদুল হামিদ খান
ভাসানীর মতবিরোধ সৃষ্টি হলে মাওলানা  ভাসানী, মহিউদ্দিন আহমেদ, মাহমুদুল
হক ওসমানী, অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ, আবদুল গাফফার খান প্রমুখ ১৯৫৭ সালে
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি  গঠন করেন। মহিউদ্দিন আহমেদ  ১৯৭৩ সালের ১৫ মার্চ
পুনরায়  আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ১৯৮৩ সালের  অক্টোবর মাসে তিনি  বাকশাল
পুনরুজ্জীবিত করেন এবং ১৯৯৩ সালে  আবার তিনি  আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
আইন পরিষদে তিনি  চার বার নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ১৯৯৭ সালের ১২ এপ্রিল
মৃত্যু বরণ করেন। রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলন এবং  রাজনীতিতে তাঁর অবদানের
জন্যে সরকার ২০০০ সালে তাঁকে একুশে পদক ( মরণোত্তর)  প্রদান করেন।
রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবীতে ২১ ফেব্রুয়ারী  মঠবাড়িয়ায় হরতাল পালিত হয়।
২১ এবং ২২ ফেব্রুয়ারী ঢাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদদের স্মরনে এবং
রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবীতে মঠবাড়িয়া কে,এম, লতীফ ইনস্টিটিউশন চত্বরে ২৩
ফেব্রুয়ারী  এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।  সভায়  সভাপতিত্ব করেন
কে,এম,লতীফ ইনস্টিটিউশনের ম্যানেজিং কমিটির  সদস্য সৃজন আলী
তালুকদার।সভায় বক্তৃতা করেন হবিবুর রহমান খান, বি মজুমদার ( পরবর্তীতে
যুগ্ম সচিব), আবদুল কাদের মোল্লা ( পরবর্তীতে খান সাহেব হাতেম আলী
জমাদ্দারের জামাতা ও  মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান), আবদুল মজিদ
রাজা মিয়া,  আলী আহমেদ ( পরবর্তীতে মঠবাড়িয়া সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ),
আবদুল হামিদ খান  প্রমুখ। সভাপতির ভাষনে সৃজন আলী তালুকদার  বলেন যে,
প্রিয় ভাইয়েরা, আপনারা  আমার সালাম নিবেন।আমি  সাধারণ মানুষ। সামান্য
লেখা পড়া করেছি।আমি  বক্তৃতা জানি না।ছাত্ররা যা চায়,আমিও তা চাই।আপনারাও
তা চাইবেন।আমার  বক্তৃতা শেষ।তিনি ১৮৮৫ সালে  মঠবাড়িয়া উপজেলার বড় হারজি
গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বর  মাসে মৃত্যু বরণ
করেন।
তথ্য সূত্রঃ
১। আমার জীবন  আমার রাজনীতি— মহিউদ্দিন আহমেদ।
২। ভাষার গান ও মোশারেফ উদ্দিন  —– সেলিনা জেসমিন।
৩। ভাষা আন্দোলন  ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব —- মযহারুল হক।
৪। সাক্ষাৎকার — জনাব আবদুল কাদের মোল্লা,  সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ
মৎস্য উন্নয়ন  কর্পোরেশন।
৫। সাক্ষাৎকার– জনাব আবদুল মজিদ রাজা মিয়া, সাবেক চেয়ারম্যান, বেতমোর-
রাজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ।