নার্গিস সুলতানা >>

 কন্স্যুলার সেবা প্রবাসীদের নাগালে পৌঁছে দেয়ার জন্য ইরাকস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের দূতালয় প্রধান মোঃ অহিদুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে কন্স্যুলার টীম এখন কুর্দিস্তানের রাজধানী আরবিলে। টীমের অন্যান্য সদস্য রাহলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ নুরুল্লাহ আহমেদ এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা। বর্তমানে কুর্দিস্তানের আরবিল, দুহুক, সোলেমানিয়া ও কিরকুকে প্রায় বিশ হাজার বাংলাদেশী শ্রমিক কাজ করেন। এদের মধ্যে প্রায় দশ হাজারের বৈধতা ছিলনা। রাষ্ট্রদূত আবুমাকসুদ এম ফরহাদের কূটনৈতিকপ্র চেষ্টায় ফেব্রুয়ারিতে তারা বৈধ হবার সুযোগ পান।

গত ৮ জানুয়ারি অহিদুজ্জামান লিটন কুর্দিস্তানের রেসিডেন্সি অফিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াদগার আনোয়ারফরাজ-এর সাথে স্বাক্ষাত করে ডিজিটাল পাসপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত হাতে লেখা পাসপোর্ট ধারীদেরও ৬ মাসের জন্য একামা প্রদানের অনুরোধ করেন। ইয়াদগার আনোয়ার জুন পর্যন্ত হাতে লেখা পাসপোর্ট ধারীদেরও একামা প্রদানে সম্মত হন। রেসিডেন্সি অফিস দূতালয় প্রধানের বিশেষ অনুরোধে বাংলাদেশ দূতাবাসকে কন্স্যুলার সেবা প্রদানের জন্য একটি কক্ষ বরাদ্দ করেন। কন্স্যুলার টীম প্রতিশ্রতিঅনুযায়ী ডিজিটাল পাসপোর্ট ইস্যু করাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কন্স্যুলার সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কক্ষ বরাদ্দসহ সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা অব্যাহত ভাবে প্রদানের জন্য কন্স্যুলার টীমের প্রধান মোঃ অহিদুজ্জামান লিটন ১০ এপ্রিল বুধবার রেসিডেন্সি অফিসের মহাপরিচালকের সাথে স্বাক্ষাত করে কুর্দিস্তান রিজিওনাল গভর্ণমেন্টকে বাংলাদেশ সরকারের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও ধন্যবাদ পৌঁছে দেন এবং দূতাবাসের পক্ষ থেকে পাটের তৈরী উপহার দেন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াদগার আনোয়ার বাংলাদেশী শ্রমিকদের সততা, নিষ্ঠা ও কর্তব্য পরায়ণের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সাথে একত্রে কাজ করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন।

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন