খালিদ আবু,পিরোজপুর > ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পবিত্র রমজান মাসে বাজারের মুল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষে এবং সাধারন ভোক্তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যাদি ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে পুরো রমজান মাস জুড়ে ভ্রাম্যমান বাজার ও শহরের নির্দিষ্ট স্থানে মালামাল বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
অথচ পিরোজপুর জেলায় রমজান মাসে টিসিবির কার্যক্রম সম্পূর্ন মুখ থুবরে পড়েছে। দেখার মত নেইও কোন কর্মকর্তা। টিসিবির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলা শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় টিসিবির নির্ধারিত মোট ১৫ জন ডিলার থাকলেও তাদের কার্যক্রম নিয়ে সাধারন ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে প্রচন্ড ক্ষোভ। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ওই ১৫ ডিলারের মধ্যে রমজান মাসের প্রথম কিস্তিতে মাত্র তিন জন ডিলার মালামাল উত্তোলন করলেও বাকী ১২ জন ডিলার তাদের বরাদ্দকৃত কোন মালামালই উত্তোলন করেনি। ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের খুলনার কর্মকর্তা মোঃ রুবেল মোর্শেদ জানান, অত্র জেলার ডিলারদের মধ্যে সদরে ৩জন, জিয়ানগরে ৪জন, নাজিরপুরে ২জন, কাউখালীতে ৩জন, ভান্ডারিয়ায় একজন ও মঠবাড়িয়ায় ২জন ডিলার রয়েছেন।
ওই কর্মকর্তা আরও জানান, গত রমজানেও পিরোজপুরের বেশীর ভাগ টিসিবির ডিলাররা মালামাল উত্তোলন না করায় সাধরন ভোক্তারা ন্যাজ্য মুল্যের মালামাল থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। চলতি রমজানেও তারা পন্যাদি উত্তোলন না করলেও জিয়ানগরের মাত্র তিন জন ডিলার পন্য সামগ্রী উত্তোলন করে বিক্রয় করছেন। জেলা শহরের (মৃত) মাহমুদ এন্টার প্রাইজ, নন্দিনী এন্টার প্রাইজ ও আরমান এন্টার প্রাইজ এই রমজানে কোন মালামাল উত্তোলন করেনি। টিসিবি কর্মকর্তা রুবেল মোর্শেদ জানান, ওই ১৫ ডিলারের মধ্যে মাত্র তিন জনের লাইসেন্সের মেয়াদ আছে, বাকীদের নেই। এদিকে মঠবাড়িয়ার শান্ত এন্টার প্রাইজের লাইসেন্সের মেয়াদ থাকলেও রমজানে তিনি কোন মালামাল উত্তোলন করেননি বলে জানান ওই কর্মকর্তা। নন্দিনী এন্টার প্রাইজের ডিলার জহিরুল হক টিটু অভিযোগে জানান, বাজারের মানের চেয়ে টিসিবির কিছু পন্যাদির মান খারাপ, আবার কিছু পন্যাদির মান ভাল। তবে, গোডাউন থেকে খারাপ পন্যাদি নিতে না চাইলে ভাল পন্যাদি সরবরাহ করা হয়না বিধায় অনেক ডিলারই পন্যাদি উত্তোলনে অনিহা প্রকাশ করেন।








Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.