ব্রেকিং নিউজ
Home - উপকূল - এই ঘটনা গুলো শিক্ষনীয় হলেও এখান থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না!

এই ঘটনা গুলো শিক্ষনীয় হলেও এখান থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না!

গ্রুপিং রাজনীতি দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না! সংগঠনকে গতিশীল ও কর্মীদের উজ্জীবিত রাখে। তবে সেই গ্রুপিংটা হতে হবে আদর্শিক, প্রতিহিংসার নয়! কোনো নেতা বা কর্মীদের চরিত্র হনন করে অথবা সন্ত্রাসী পথ অবলম্বন করে নয়। নেতৃত্বের লড়াইয়ে আলোচনা সমালোচনা হতে হবে সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত ও ন্যায় সংগত। যদিও দীর্ঘদিন দল ক্ষমতায় থাকলে নিজেদের মধ্যে ব্যক্তি স্বার্থে দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে মঠবাড়িয়া তার বাইরে নয়। তবে অনেক সময় নেতাদের ইচ্ছের বাইরেও অনাকাঙ্খিত কিছু ঘটনা ঘটে যায় কিছু অতিউৎসাহী কর্মীদের অতিউৎসাহী কর্মকান্ডে যার খেসারত দিতে হয় নেতার ও সংগঠনের আর কর্মী তো ওখানেই ফুলষ্টপ! তাই নেতা ও কর্মীর উভয়েরই ভেবে চিন্তে কাজ করা উচিৎ।

শুভ শর্মার হাতটি কিন্তু চলে গিয়েছে আর ফিরে পাবে না, সারা জীবন তার একটি হাতবিহীন বেচেঁ থাকতে হবে জীবিকার জন্য লড়াই করতে হবে! এখন অনেকেই পাশে থাকলেও সারাজীবন কেউ পাশে থাকবে না এটাই বাস্তব। হামলাটি হোক ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে বা রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে শেষ পর্যন্ত গ্রুপিং এর নোংরা প্রতিহিংসার যে শিকার তা তো পরিষ্কার।

শুভ শর্মার হাতটি যে জানোয়ার গুলো বিচ্ছিন্ন করছে ওরা যে গ্রুপিং এর নোংরা প্রতিহিংসার শিকার তাও পরিষ্কার। নেতার নেতৃত্বের আধিপত্য বিস্তার করাতে গিয়ে যে অতিউৎসাহী সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটিয়ে ফেলেছে তাতে নেতার যা ক্ষতি হয়েছে তারচেয়ে ওদের বেশি ক্ষতি হয়ে গেছে। ওরা নেতার কাছে এক ধাপ বেশি কাছে যাইতে গিয়া ও সংগঠনে ওদের পদবিটা মজবুত করতে গিয়া এখন আজীবনের জন্য সেইটাও বন্ধ হইয়া গেছে পাশাপাশি নিজের সুন্দর জীবনটাকেও এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। নেতায় কিন্তু এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠবে তোমরা কিন্তু কাটিয়ে উঠতে পারবে না!

এই ঘটনা গুলো শিক্ষনীয় হলেও এখান থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না! নেতার সাময়িক ক্ষতি হলেও কর্মীর ক্ষতি কিন্তু সারা জীবনের। যদিও কর্মী এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে নিজে যদি না জড়ায় নেতায় জড়াতে বাধ্য করতে পারে না! মঠবাড়িয়া এই ঘটনা গুলো প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে দুটি কারণে ….

১। পুলিশ প্রশাসন শক্ত অবস্থানে না যাওয়া, তিন জনপ্রতিনিধির সাথে ওসির নিজের কর্মস্থলকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য গোপনে তলছা খাতিল রাখা।

২। প্রতিটা ঘটনা ঘটার পর দোষীদের সাথে কিছু ব্যক্তিগত প্রতিপক্ষ দমন করার উদ্দেশ্যে অন্য ব্যক্তিদের নামে মামলা করা,গ্রেফতার ও বিচার দীর্ঘসূত্রতার জামেলায় পরে বিচারহীনতার সৃষ্টি হওয়ায়।

এই দুটি কারনেই লিটন পন্ডিত হত্যা,জনি হত্যা, ইদ্রিস তালুকদার হত্যা, শরিফুল ইসলাম রাজুর উপর হামলা,রিয়াজুল আলম ঝনোর উপর হামলা,মিরুখালী ছাত্রলীগ নেতা জাহিদুল হোসেন এর উপর হামলা আরও ছোটখাটো দুই ডজন হামলা রয়েছে সব গুলো ঘটনার বিচার দীর্ঘসূত্রতা আর এরই ধারাবাহিকতায় এই শুভ শর্মার উপরে এই নারকীয় নৃশংস হামলার মতো ঘটনা।

দেশের বাইরে থেকে এই ঘটনার সম্পুর্ন জানা সম্ভব না তবে আমার হাসানুজ্জামান হেলাল ও আবুসুফিয়ান রায়হানকে জড়িত মনে হচ্ছে না। তারা জড়িত না থাকলে তাদের নাম দুটো প্রত্যাহার করা হোক।

শুভ শর্মার হামলার হামলাকারীদের এখনো পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি দুইজন চুনপুটি ধরে প্রশাসনের উপর মহল বুঝ দিলেও সাধারণ জনগণ কিন্তু সংক্ষুব্ধ দ্রুত জড়িতদের গ্রেফতার করুন।

মেহেদী হাসান বাবু ফরাজি
প্রকাশক ও সম্পাদক
আজকের মঠবাড়িয়া

Leave a Reply

x

Check Also

মঠবাড়িয়ার তুষখালী কলেজের নতুন নামকরণ ‘তুষখালী মহিউদ্দিন মহারাজ কলেজ’

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি 🔴 পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ‘তুষখালী কলেজ’ এর নাম পরিবর্তিত হয়ে নতুন নামকরণ করা ...