দেবদাস মজুমদার >

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার কৃতি সন্তান চিত্রশিল্পী ভাস্কর চঞ্চল কর্মকার নির্মিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যটি মঠবাড়িয়ার দৃশ্যমান স্থানে স্থাপনের জন্য উপযুক্ত জায়গা চান। যাতে আমাদের মুক্তি সংগ্রামের গৌরবের বিশেষ দিবস গুলোতে মঠবাড়িয়া বাসি জাতির জনকের বেদীতে যথাযথ মর্যাদায় পুষ্পমাল্য অর্পণ করতে পারেন।

গুণি এই শিল্পী মঠবাড়িয়া শহরের বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যটি স্থাপনের জন্য একটু জায়গার সানুনয় আবেদন জানিয়েছেন তাঁর ব্যাক্তিগত সামাজিক সাইট ফেসবুকে ।

মহান বিজয় দিবসে মঠবাড়িয়ার নেতাদের জাতির জনকের ছবি প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের একটি ছবি ও শিল্পীর নির্মিত বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ একটি ভাস্কর্য ছবিসহ পোস্ট দিয়ে তিনি মঠবাড়িয়ার সকলেল প্রতি একটু জায়গার আবেদন জানিয়েছেন।

ওই পোস্টো তিনি উল্লেখ করেন, এই ছবিটা দেখে( পুষ্পমাল্য অর্পণের (একটা ছবি) আজ আমি খুব লজ্জিত এবং ব্যাথিত। যে দলের আদর্শিক নেতার জন্য এই দেশ,এই জনপথ সেই নেতার প্রতিকৃতি আজ নিচু এক অস্থায়ী বেদীতে শোভা পাচ্ছে। ক্ষমা করবেন জাতির পিতা,ক্ষমা করবেন আমাদের।
আমি পাশের এই আবক্ষ ভাস্কর্যটি একটি স্থায়ী বেদীতে স্থাপন করতে চাই। কেননা এই দলের একজন কর্মি হিসেবে আমি নিজেও এই গ্লাণির বাইরে নই। মঠবাড়িয়ার নেতৃবৃন্দের কাছে অনুরোধ আপনারা একটি জায়গা ঠিক করে দিন যেখানে সার্বজনীন ও দলীয়ভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের প্রতি।

এ প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে শিল্পী চঞ্চল করকার বলেন, আমাদের যে শহীদ মিনার বানানো হয়েছে সেটাকে শহীদ মিনার না স্মৃতির মিনার কোনটিই বলা চলেনা।আসলে সেটা একটা টাকার মিনার হয়েছে।আমাদের পুরাতন ভূমি অফিসের সামনে কি কোন জায়গা বের করা যায়না? যেখানে জাতির জনকের ভাস্কর্যটি স্থাপন করতে পারি ।

এ পোস্টের পর মঠবাড়িয়ার অনেক শুভজন সহমত পোষণ করে নানা মন্তব্য দেন।

প্রবাসি তরুণ তারিকুল রুবেল Tariqul Rubel মন্তব্য করেন, মঠবাড়িয়া পৌরসভা ভবনের সামনের ভূমি অফিসের কিছুটা জায়গা নিয়ে একটা গোল চত্বর করে এখানে করা যেতে পারে, সেই সাথে মঠবাড়িয়ার আরো অনেক কৃতি সন্তান আছেন যাঁরা বিভিন্ন সময় অনেক আন্দোলনে অংশগ্রহন করেছেন এবং আত্মদান করেছেন তাদের ম্যুরাল/ ভাস্কর্য করে চত্ত্বরটি করলে হয়তো শহরের সৌন্দর্য কিছুটা বৃদ্ধি পাবে, সেই সাথে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কিছুটা হলেও মঠবাড়ীয়ার ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কে জানবে……… ।

নাঈম চৌধুরী Nayeem Chowdhury এক শুভজন মন্তব্য করেন,”আমি পাশের এই আবক্ষ ভাস্কর্যটি একটি স্থায়ী বেদীতে স্থাপন করতে চাই।” সবাইকে এই লাইনটির গভীরতাটুকু বোঝার ক্ষমতা দিক। আর আপনার কাজের জন্য শুভ কামনা রইল ভাইয়া। আশা করি পরবর্তি আপডেট খুব তারতারি দেখতে পাব।

ফিন্যান্ড প্রবাসী আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল ইসলাম তাঁর সামাজিক সাইট ফেসবুকে জানান, মঠবাড়িয়ার আওয়ামী পরিবারের সন্তান সাবেক ছাত্রনেতা গুনি ভাস্কর্য শিল্পী মঠবাড়িয়ার সন্তান ছোট ভাই চঞ্চল ওর নিজ হাতে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর এ ভাস্কর্যটি মঠবাড়িয়ায় স্থাপন করতে চাচ্ছে । যত তারাতারি সম্ভব উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণ করে ভাস্কর্যটি স্থাপন করার অনুরোধ করছি।

 

 

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন