
অনলাইন ডেস্কঃ বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণ কাঠালতলী চৌরাস্তার হারুন খলিফার দোকান থেকে পশ্চিমে গোড়াখাল পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা কাঁচা হওয়ায় বর্ষায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। আর এই কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে চলাচলে বকুলতলা, চরকানা, বকুলতলা ও পরীঘাটা গ্রামের কৃষক, শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
রাস্তার খারাপ অবস্থার কারণে একমাত্র চরদুয়ানীর বাজারের সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে প্রায় তিন থেকে চারটি গ্রামের মানুষ। যোগাযোগ ব্যবস্থা কারণে চরম ভোগান্তিতে আছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা।
বর্ষাকালের এই সময়ে সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটু সমান কাদা হয়ে যায়। ৪ গ্রামের মানুষের বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় চলাচলের যানবাহন, রোগী পরিবহনের অ্যাম্বুলেন্স, রিক্সা-ভ্যান, নসিমন-করিমন, অটোবাইক, মোটরসাইকেল-বাইসাইকেল চালানো, এমনকি পায়ে হেঁটে চলাচল করাও কষ্টকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।
করোনার আগে বৃষ্টির দিনে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে কাদা-পানিতে পড়ে পোশাক ভিজিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়। এতে বর্ষার সময়ে শিক্ষার্থীরা কাদা-পানির ভয়ে নিয়মিত স্কুল যেতে চায় না।
বিকল্প রাস্তা না থাকায় এ রাস্তা দিয়ে গ্রামের শাক-সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিক্রি করতে চরদুয়ানী বাজারে যেতে অনেক ভোগান্তি পোহা হচ্ছে।
বকুলতলা গ্রামের শিক্ষক মাদব হাওলাদার, অধ্যাপক মানিক হালদারসহ একাধিক বাসিন্দা জানান, এখন বৃষ্টির সময় অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তাছাড়া শুকনো মৌসুমেও রাস্তার ধুলায় কাশিসহ অনেক সমস্যায় পড়তে হয়।
এ ব্যাপারে পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির বলেন, ওই এলাকা অনুন্নত। এ কারণে ওয়াপদার রাস্তাটি কর্দমাক্ত হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছে এখানকার মানুষ।
তবে ওয়াপদা কর্তৃপক্ষের কোনো আপত্তি না থাকলে জনস্বার্থে এ রাস্তাটি করা যেতে পারে।
সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন







Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.