ভাইস চেয়ারম্যান নিশ্চিত করেছেন পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন ত্রুটিপুর্ন বিল অভিযোগ পেলে সংশোধন করা হবে

মঠবাড়িয়া উপজেলা পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের বিদ্যুৎ বিলে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও সচেতন নাগরিকরা এর প্রতিবাদ জানতে শুরু করছে ইতিমধ্যে বিষয়টি ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান সিফাত তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন ত্রুটিপুর্ন বিল অভিযোগ পেলে সংশোধন করে দিবে এবং পরবর্তী মাস থেকে গ্রহকের সামনে মিটার রিডিং করবে। যাদের অভিযোগ আছে দয়া করে বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করুন।তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি আরও বলেন নিজের দ্বায়িত্বের জায়গা থেকে অনুভব করেছি এই অনিয়মে বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলা উচিত, তাই বলেছি এবং তাদের ফিডব্যাক আপনাদেরকে জানিয়েছি।অমুক করতে হবে, তমুক করতে হবে বলে তালমিলিয়ে একটা স্টাটাস দিয়ে নিজের দায় এড়িয়ে গেলে সবাইকে ধোকা দেয়া হত।আমাকে তারা একটা বুঝ দিয়ে দিলেন আর আমিও বুঝ নিয়ে চলে আসলাম অত অবুঝও আমি না আসলে যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়ন করতে গেলে অবশ্যই প্রক্রিয়া অনুযায়ী আগানো উচিত। কারন বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক কৌশলী হয়। সেক্ষেত্রে আমাদেরও কৌশল অনুযায়ী আগানো উচিত। তাদের দু চারটা ভুল অফিসিয়ালি স্বিকার কারার সুযোগ দিন। আর সব কিছুতে আমি বা আমরা গুটিকয়েক মানুষ চাইলে বাস্তবায়ন করা সম্ভব না। মঠবাড়িয়ার আমার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জনপ্রতিনিধী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা ও এগিয়ে আসা উচিত। তারাতো তুচ্ছ বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছেও যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন আর এটিতো গুরুত্বপুর্ন পাবলিক ইস্যু।তা না হলে আমরা আদালতের স্বরনাপন্ন হবো। সবাই সবার বিলের কাগজ ও মিটারের রিডিং এর ছবি তুলে রাখুন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিভাবে লড়াই করতে হয় তা জানা আছে। তবে সেটা ফেসবুকে বহবা পাওয়ার জন্য দু চার লাইন বিপ্লবী কথা লিখে নয়। তবে অভিযোগ রয়েছে সব গ্রাহকদের বিল পত্রে অনিয়ম হয়েছে যে সকল গ্রাহক এই করোনা পরিস্থিতিতে ঘর থেকে বের হচ্ছে না তারা কিভাবে এটাকে অফিসে যোগাযোগ করবে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আরিফ উল হক ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করছেন তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন অভিযোগ পেলে ত্রুটিপূর্ণ বিল সংশোধন করা হবে প্রশ্ন হলো সব বিলইতো ত্রুটিপূর্ন জরিমানাসহ করা কতজন অভিযোগ নিয়া যাবে এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যে এইবিল বাতিল করে মিটার দেখে জরিমানা বাদ দিয়ে নতুন বিল করার দাবি করছি। এই দিকে সুশীল সমাজের সচেতন নাগরিক হিসেবে পরিচিত মোস্থাফিজ বাদল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন অামার বাসাসহ যতগুলো বিল দেখেছি সব বিলেই জরিমানাসহ অতিরিক্ত বিল করেছে।প্রশ্ন হলো, এখন সেই হাজার হাজার মানুষ কীভাবে লকডাউন ভেঙ্গে পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে যাবে,দোষ করলো পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ অার এখন শাস্তি হবে পাবলিকের।এইটা কোন কথা হলো সরকারি নির্দেশনার বাহিরে গিয়ে ওরা জরিমানা চার্জ করলো। মানুষের এই জীবনমৃত্যুর সময় ওরা ভুতুড়ে বিল করলো অার এখন মানুষ ওদের পিছানে দৌড়াবে এটি হয় না।এমন সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়। ভাইস চেয়ারম্যান কে বলবো ওদের এই দুষ্ট চক্র কে বাধ্য করো সম্পূর্ণ বলি পত্র সংশোধন করতে তোমাকে জনগণের পক্ষে এই ন্যায্য দাবি অাদায় করতেই হবে।

About The Author

Leave a Reply