ব্রেকিং নিউজ
Home-অন্যান্য-ধর্ম ও জীবন-ঈদে মিলাদুন নবী সঃ অনুষ্ঠান পালন

ঈদে মিলাদুন নবী সঃ অনুষ্ঠান পালন


সমগ্র বিশ্বের অধিকাংশ মুসলমান ঈদে মিলাদুন নবী অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালন করেন। কিন্তু জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালন করা শরীয়ত সম্মত কি না তা আমরা অনেকই জানি না। অধিকাংশ মুসলমানই এ ঈদের উৎপত্তি ও বিকাশ সম্পর্কে পরিচিত নয়।এ সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করছি।
ঈদ আরবী শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে খুশী, আনন্দ বা উৎসব। মিলাদ আরবী শব্দ। কিন্তু আমাদের দেশেএর প্রচলন ফার্সী ভাষা থেকে। ফার্সী মতে মিলাদ অর্থ হচ্ছে জন্ম সময়। আরবী মতে মিলাদের অর্থ হচ্ছে জন্ম সময়, জন্ম বৃত্তান্ত তথা কারো জন্ম তারিখে তাঁর জীবন চরিত আলোচনা এবং তাঁর জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণের অঙ্গীকার করা বুঝায়।তাহলে ঈদে মিলাদুন নবী এর অর্থ হচ্ছে বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মাদ সঃ এর শুভ জন্মদিন উপলক্ষে কোন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর জন্ম দিন পালন করা। সৌদি আরবের গ্রান্ড মুফথী বিশ্ববিখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও ইসলামী গবেষণার প্রধান শায়খ আবদুল আযীয বিন আবদুল্লাহ বিন বায রহঃ বলেন,রাসুল সঃ এর জন্মোৎসব পালন করা জায়েজ নয়, বরং তা বারণ করা অবশ্য কর্তব্য। কারণ,এটি ধর্মের নতুন প্রবর্তিত একটি বিদআত। রাসুল সঃ কখনো এ কাজ করেন নি। তাঁর নিজের বা পূর্ববর্তী কোন নবী বা তাঁর কোন দুহিতা,স্ত্রী , আত্মীয় স্বজন বা কোন সাহাবীর জন্মদিন পালনের কোন নির্দেশ দেন নি।
বিদআত গুমরাহী আর গুমরাহীর পরিনাম হচ্ছে জাহান্নাম। এ কারণেই হাদীস শরীফে বিদআত সম্পর্কে কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করা হয়েছে। রাসুল সঃ বলেছেন, ” যে ব্যক্তি আমাদের ধর্মের মধ্যে এমন কিছু নতুন উদ্ভাবন করে, যা এর অন্তর্ভূক্ত নয়, তবে তা প্রত্যাখ্যাত”। ( বুখারী ও মুসলিম শরীফ)। তিনি আরো বলেন, ” যে ব্যক্তি কোন বিদআতীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করল সে ইসলাম ধ্বংস করার কাজে সাহায্য করল “। ( বায়হাকী)। খোলাফায়ে রাশেদীন,সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ীন, তাবে তাবেয়ীন এবং আইয়াম্মে মুজতাহীদগণ কেউই উৎসব পালন করেন নি। পবিত্র মক্কার দারুল হাদীস এর শিক্ষক আল্লামা শায়খ মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনু এর মতে,নবী করিম সঃ এর জন্ম দিনে উৎসব পালন করা বিদআত। প্রখ্যাত শাফিয়ী মুহাদ্দিস হাফিজ ইবন হাজার আসকালীন বলেন, মিলাদ পালন মূলত বিদআত।ইসলামের সম্মানিত তিন শতাব্দীর সালাফে সালেহীনদের ( খোলাফায়ে রাশেদীন, সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈন) কোন একজনও মিলাদ পালন করেন নি। পবিএ কুরআনের সুরা হাশরের ৭নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ” রাসুল সঃ যা নিয়ে এসেছেন তা গ্রহণ কর এবং যা কিছু নিষেধ করেছেন তা থেকে বিরত থাকো। ” প্রশ্ন হচ্ছে বিদআত কি? বিদআত হচ্ছে, যার কোন দলিল ও প্রমাণ কুরআন ও সুন্নাহ ( হাদীস) থেকে পাওয়া যায় না। ( ইসলামী জীবন পদ্ধতি – পৃষ্ঠা নং ১১৬)
বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মাদ সঃ ১২ রবিউল আউয়াল মুতাবিক ৫৭০ খৃষ্টাব্দের ২৯ আগষ্ট সোমবার মক্কা নগরীর কুরাইশ বংশের বনি হাশিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। পবিত্র কুরআনের সুরা আল আম্বিয়া এর ১০৭ নং আয়াতে আল্লাহ রব্বুল আলামীন ঘোষণা করেন যে, “হে নবী, আমি আপনাকে শুধু বিশ্ববাসীর জন্যে রহমাত স্বরূপ প্রেরণ করেছি”,। তাঁকে প্রেরণের উদ্দেশ্য ছিল, আইয়ামে জাহেলিয়া বা অন্ধকারে নিমজ্জিত ও পাপাচরণে লিপ্ত মানব জাতিকে আলোর পথে তথা সৎপথে পরিচালনা করার জন্যে।
বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মাদ সঃ ৬১০খৃষ্টাব্দে নবুয়াত প্রাপ্তির আগেই মক্কাবাসীরা তাঁর সৎ চরিত্র ও আদর্শের জন্যে তাঁকে আল আলামিন উপাধিতে ভূষিত করেন। নবুয়াত প্রাপ্তির ২৩ বছর পর ৬৩২খৃষ্টাব্দের ৮ জুন মুতাবিক হিজরী ১১ সালের ১২ রবিউল আউয়াল সোমবার ইন্তেকাল করেন। বিশ্বনবী ৬৩ বছর জীবিত ছিলেন। তিনি বিশ্বের শেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী।
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ সঃ এর জন্ম এবং মৃত্যুর তারিখ ও দিন ১২ রবিউল আউয়াল সোমবার। এ দিন আমাদের জন্যে আনন্দ এবং বেদনাময়। হযরত আহমদ ইবনে হাম্বল তাঁর মুসনাদে সহীহ হাদীসে বর্ণনা করেছেন , হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ বলেন, রাসুলে করিম সঃ সোমবার জন্ম গ্রহণ করেন, সোমবার নবুয়াত লাভ করেন,সোমবার ইন্তেকাল করেন, সোমবার মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনায় পৌঁছেন এবং সোমবারে হজরে আসওয়াদ উত্তোলন করেন।
১২ রবিউল আউয়াল ঈদে মিলাদুন নবী বা বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ সঃ এর জন্ম দিন জাঁকজমকভাবে পালন করা যুক্তিযুক্ত কি না আমাদের আলেম সমাজকে ভেবে দেখা উচিৎ। রবিউল আউয়াল রহমাত ও বরকতময় মাস। আমাদের দেশের এক শ্রেণীর লোক ১২ রবিউল আউয়াল মিলাদুন্নবী নামে যে অনুষ্ঠান পালন করেন যেমন- আনন্দ উৎসব করা,মিছিল বের করা, আলোকসজ্জা করা, পতাকা,প্লেকার্ড স্হাপন করা ইত্যাদি শরীয়ত পরিপন্হী। এ সব কাজ নিঃসন্দেহে আল্লাহ এবং রাসুল সঃ নিকট অপছন্দীয়। ১২ রবিউল আউয়াল আমাদের কর্তব্য হচ্ছে, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ সঃ এর জীবন চরিত আলোচনা এবং তাঁর জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণের অঙ্গীকার করা, কুরআন তিলওয়াত করা, দোয়া – দরুদ পাঠ করা, নফল নামাজ ও রোজা পালন করা, দান- খয়রাত প্রদান ইত্যাদি। স্মরণ রাখতে হবে, বিশ্বনবীর জীবন চরিত আলোচনা , দোয়া ও তবারক বিতরনের মধ্যে সীমিত না থাকে। রাসুল সঃ এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, ভক্তি, ভালবাসা হ্নদয় ধারন করে যাবতীয় কর্মকান্ডে রাসুলের নীতি, আদর্শ ও শিক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে। রাসুল সঃ বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাকে ভালবাসলো, সে যেন আল্লাহকে ভালবাসলো। প্রশ্ন হচ্ছে নবী করিম সঃ কে ভালোবাসার সঠিক পন্হা কি?জীবনের সর্বক্ষেত্রে নবী করিম সঃ এর সুন্নাত তরিকাকে আকরিয়ে ধরা।কাজে- কর্মে, কথা- বর্তায়, চাল- চলনে, চিন্তা – ভাবনায় জীবনের সর্বক্ষেত্রেই সুন্নাত তরিকা অনুসরণ করলে নবী করিম সঃ এর খাঁটি উম্মত হওয়া যায়। পবিত্র কুরআনের সুরা আল ইমরানের ৩৩ নং আয়াতে আল্লাহ রব্বুল আলামীন ঘোষণা করেন যে, “হে রাসুল! আপনি বলুন,তোমারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য কর।” উক্ত সুরার ১৮৫ নং আয়াতে আল্লাহ রব্বুল আলামীন ঘোষণা করেন যে, “প্রত্যেক ব্যক্তিকেই মরতে হবে এবং তোমরা সকলে নিজ নিজ প্রতিফল কিয়ামতের দিনে পাবে। সফল হবে মূলত সেই ব্যক্তি, যে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পাবে ও যাকে জান্নাতে দাখিল করানো হবে, আর এ দুনিয়াতো একটি বাহ্যিক প্রতারণাময় জিনিস।”
প্রতি বছর আমরা দুটি উৎসব পালন করি – ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। এ দুটি উৎসব
মুসলমানদের জন্যে ওয়াজিব তথা ফরজের কাছাকাছি। মিলাদুন নবী শব্দের পূর্বে ঈদ শব্দটি বসিয়ে আরেকটি উৎসব পালন করা হলে শরীয়ত পরিপন্হী হবে। কারণ, পবিত্র কুরআনে কোথাও মিলাদ শব্দের উল্লেখ নাই। মিলাদুন নবী উৎসব খুলাফায়ে রাশেদীন,সাহাবায়ে কিরাম,তাবিউন,তাবে তাবিউনদের আমলে প্রচলিত ছিল না। পরবর্তীতে এটি শিয়াদের উদ্যোগে প্রচলিত হয়েছে।ইতিহাসের আলোকে যতদূর জানা যায় তাতে ৪ র্থ হিজরীর মাঝামাঝি থেকে মিশরে ঈদে মিলাদুন নবী উদযাপন শুরু হয়। আব্বাসীয় খলিফা মুতাসিম বিল্লাহ এর মৃত্যুর পর সুবিশাল মুসলিম সাম্রাজ্যের অবনতির সূচনা হয় এবং ছোট ছোট রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়।৩৩৪ হিজরী মুতাবিক ৯৪৫ খৃষ্টাব্দ থেকে বাগদাদে শিয়া শাসকগণ সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হয়। ফলে ইসলামী জ্ঞানচর্চা,হাদীস সুন্নাহ অনুসরণে শিয়াদের প্রভাব পড়ে। ৬ষ্ঠ হিজরির দ্বিতীয়ার্ধে মিশর, সিরিয়া ও ইরাকে আপ্যায়ন ও আনন্দ প্রকাশের মাধ্যমে শিয়ারা ঈদে মিলাদুন নবী পালন শুরু করে। এসব দেশে শিয়ারা ক্ষমতায় থাকায় সুন্নীরা বাধা দিতে পারে নি। বাধা দিলে সংঘাতের রুপ ধারন করত। তবুও মাঝে মাঝে শিয়া – সুন্নী সংঘাত হয়েছে। এমনকি গৃহযুদ্ধও হয়েছে। জন্মের সাথে মৃত্যুকেও স্মরণ করতে হবে।হযরত আবু হোরায়রা রাঃ থেকে বর্নিত আছে যে, হযরত রাসুলে করিম সঃ বলেছেন, “তোমরা অধিক পরিমাণে মৃত্যুর স্মরণ কর।” ( তিরমিজি শরীফ)। অলীকুল শিরোমনি হযরত আবদুল কাদের জিলানী রহঃ এর লিখিত “গুনিয়াতুত তালেবীন “কিতাবে ঈদে মিলাদুন নবী পালন সম্পর্কে কিছুই বর্নিত হয় নি। ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত আলেম হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহঃ এর মতে,” ঈদে মিলাদুন নবী উৎসব পালন সুস্পষ্ট বিদআত।” বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের ইমাম আল্লামা ওবায়দুল হক রহঃ এর মতে, “ঈদে মিলাদুন নবী উৎসব পালন করা শরীয়ত অনুমোদন করে না। ”
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ সঃ এর জীবন ও কর্ম বুঝাতে সর্বকালে সীরাত শব্দটি ব্যবহ্নত হয়ে আসছে,মিলাদ নয়। তাই দেখা যায় যে,পূর্ববর্তী প্রখ্যাত আলেম ও মুহাদ্দিসগন বিশ্বনবীর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে যত বই লিখেছেন তারা সকলেই সীরাত নামে লিখেছেন। যথা- সীরাতে ইবনে হিশাম,ইবনে কাছীরের আস- সীরাহ, আল্লামা শিবলী নুমানীর সীরাতুন্নবী,ইদরীস কান্দ্ধলাবীর সীরাতুম মুস্তাফা, ইসলামিক ফাউণ্ডেশন এর সীরাত বিশ্বকোষ প্রভৃতি। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ সঃ এর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে কোন বই মিলাদুন্নবী নামে প্রকাশিত হয়েছে বলে আমার জানা নেই। তবে সম্প্রতি কালে অধ্যাপক ডঃ তাহির আল কাদরী এবং কতিপয় ব্যক্তি মিলাদ উৎসব সমর্থনে “মিলাদুন্নবী” নামে বই লিখেছেন। ডঃ কাদরী তাঁর মিলাদুন্নবী বইয়ে লিখেছেন, প্রথম তিন প্রজন্ম – খুলাফায়ে রাশেদীন, সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীনগণের আমলে কেউ মিলাদ পালন করেন নি।তিনি তাঁর বইয়ে বর্তমানে মিলাদ উৎসব উদযাপনে নানা গর্হিত কাজের সমালোচনাও করেছেন।ঈদে মিলাদুন নবী উদযাপনের নিন্দনীয় দিক হচ্ছে, অমুসলিমদের সাদৃশ্য ও তাদের অনুকরণ, যা হাদীস শরীফে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এ সব অপসংস্কৃতি অমুসলিম বিশেষ করে হিন্দু ও খৃষ্টানদের প্রথা থেকে অনুপ্রবেশ করেছে। হিন্দুরা ৮ ভাদ্র শ্রীকৃষ্ণের জন্ম দিবস আর খৃষ্টানরা ২৫ ডিসেম্বর হযরত ঈশা আঃ এর জন্ম দিবস পালন করে।এ উপলক্ষে তারা বিশাল শোভাযাত্রা ও জুলুস মিছিল আয়োজন করে।অনুরুপভাবে ঈদে মিলাদুন নবী সমর্থনকারীরাও মিছিল ও শোভাযাত্রার আয়োজন করেন। ঈদে মিলাদুন নবী পালনের বৈধতা ব্যাখ্যা করে মৌলভী আহম্মেদ রেজা খান বেরলভী বলেন,যে সব দেশে মহাসমারোহে ২৫ ডিসেম্বর হযরত ঈশা আঃ এর জন্ম দিবস পালিত হয় , সেসব দেশে ইসলামের ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠার জন্যে সম্মিলিতভাবে নবী দিবস পালন করা আবশ্যক, যাতে আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ সঃ এর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ সৃষ্টি হয়।
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ সঃ এর জন্ম ও মৃত্যু সম্পর্কে আলোচনা হতে পারে। জন্মের সাথে মৃত্যুকে স্মরণ করতে হবে। আলোচনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বেশী বেশী কুরআন তিলওয়াত ও দরুদ পাঠ করা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য। আমাদের মনে যদি রাসুল সঃ এর প্রতি ভালবাসা সৃষ্টি হয় আর সেই ভালবাসার মাধ্যমে আমাদের জীবন গঠন করতে পারি তাহলে আমরা ধন্য হব।
তথ্য সূত্রঃ
১.মিলাদুন্নবী সঃ পরিচিতি ও ভ্রান্ত ধারণার অবসান –মাওলানা আলী আহমাদ চৌধুরী।
২.ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন কি ও কেন?—এ,কে,এম, মাহবুবুর রহমান।
৩.ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি —আফরোজা বেগম।
৪. দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম –ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
৫. ইসলামের দৃষ্টিতে বার চাঁদের আমল, ঘটনা ও ফজিলত — আল্লামা হাফেজ ইবনুল কায়ীম।
৬.বার চাঁদের ফজিলত ও আমল— আলহাজ্ব মাওলানা এ,কে,এম,ফজলুর রহমান মুনশী।

Leave a Reply

x

Check Also

মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে পিরোজপুরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

পিরোজপুর প্রতিনিধি 🔻 ‘বেশি বেশি মাছ চাষ করি, বেকারত্ব দুর করি” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে জাতীয় ...