ব্রেকিং নিউজ
Home-উপকূল-ঘূর্ণিঝড় ইয়াস 🔴 পিরোজপুর জেলায় জলোচ্ছাসে বাঁধ, রাস্তা, ফসল ও ঘেরের ক্ষয়ক্ষতি

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস 🔴 পিরোজপুর জেলায় জলোচ্ছাসে বাঁধ, রাস্তা, ফসল ও ঘেরের ক্ষয়ক্ষতি

পিরোজপুর প্রতিনিধি 🔻
ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ এর প্রভাবে গত ২ দিন ধরে পিরোজপুর সহ দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে। বুধবারের ভরা পূর্ণিমার অস্বাভাবিক জোয়ারের পানি জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে, সেসঙ্গে কয়েকফুট উচ্চতায় প্লাবিত হয় নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল। এতে দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন সাধারণ মানুষ। বুধবার দিনগত রাতেও দমকা হাওয়ার সঙ্গে বেশিরভাগ সময়ে আকাশ ছিল মেঘলা, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও হয়েছে মাঝে মাঝে।
জেলা কন্ট্রোল রুম কর্তৃক সম্পূর্ণ তথ্য না পেলেও জেলা কৃষি বিভাগ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী জানাযায়, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জেলার মঠবাড়িয়া, ইন্দুরকানী, ভান্ডারিয়া, কাউখালী,নাজিরপুর ও সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চল জোয়ারের পানিতে ডুবে বেশ কিছু বেরীবাধ ভেঙ্গে জোয়ারের পানিতে এসব অঞ্চলের কাঁচা রাস্তার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি মাছের ঘের,ধান-রবিশষ্য ও পানের বরজের ক্ষতিসাধন হয়েছে।
জেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানাযায়, জেলার ৭টি উপজেলায় আবাদকৃত ১৬৭ হেঃ আউষ ধানের বীজতলা, ৭ হাজার ৩১৮ হেঃ আবাদী জমি, ১হাজার ৩৩৫ হেঃ সব্জি ক্ষেত, ১৪১ হেঃ পানের বরজ সহ ২১২ হেঃ বিভিন্ন রবিশষ্যের ক্ষেত সম্পূর্ণ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শুধু মাত্র মঠাড়িয়া উপজেলায় ৫ হেঃ জমির মুগ ডাল পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারন দপ্তরের উপ পরিচালক চিন্ময় রায় জানান, এ ভাবে আর ১/২ দিন জোয়ারের পানি থাকলে ডুবে যাওয়া এ সকল সব্জির ক্ষেতের এবং ধানের বীজতলা ও চারা সম্পুর্ণ পচেঁ নস্ট হয়ে যাবে।
এ দিকে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এম এ বারী জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জেলার মঠবাড়িয়া, ইন্দুরকানী, ভান্ডারিয়া, কাউখালী,নাজিরপুর ও সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চল জোয়ারের পানিতে ডুবে যাওয়ায় ৫৯৬ হেক্টর জলাশয়ের ২ হাজার ১৫৭টি ঘের-পুকুর তলিয়ে পুকুর ও ঘেরের সব মাছ কম বেশি বের হয়ে গেছে। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হয়েছে প্রায় ৫ কোটি ৬০ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে চাষিদের।
মঠাড়িয়য়ার মাঝেরচর, ক্ষেতাচিড়া, কচুবাড়িয়া, খেজরিবাড়িয়া,ভোলমারা, বড়মাছুয়া সহ ইন্দুরকানী উপজেলার নদীতীরবর্তী বিস্তির্ণ এলাকার বেরীবাধ জোয়ারের পানির তোড়ে ভেসে গেছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান মোবাইলে এত ক্ষয়-ক্ষতির কথা অস্বীকার করে জানান, অস্বাভাবিক জোয়ারের তোড়ে মাঝেরচর সহ,বড় মাছুয়া, পিরোজপুর –ইন্দুরকানী ও ভান্ডারিয়ার তেলিখালী নদীর বড় একটি অংশ ভেঙ্গে গেছে। যার ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ টাকার মত। পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধে কাজ করে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কথার প্রতিবাদ জানিয়ে মঠবাড়িয়া, ইন্দুরকানী ও ভান্ডারিয়া এলাকার মানুষ জন জানান, ঘূর্ণীঝর ইয়াস ও পূর্ণিমার জোয়ারের তোড়ে এলাকার ১৫ থেকে ২০ কিঃমিঃ বেরিবাধ সম্পূর্ণ ভেসে গেছে।
জেলা ত্রান ও পূণর্বাসন কর্মকর্তা মো. মোজাহারুল হক জানান, নদী তীরবর্তী ৩/৪ স্থানের বেরিবাধ ভেঙ্গে প্রায় ৫০ টি গ্রাম তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫ হাজার পরিবার প্লাবিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় ১৫ হাজার ৫ শত মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছে।
জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, ঘূর্ণীঝড় ইয়াসের আঘাতে সারা দেশের ন্যায় পিরোজপুরেও কম-বেশী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্মাতের মাধ্যমে খোজ খবর নিয়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য তুলে ধরে আপনাদের জানানো হবে। তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই উপজেলা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা পৌছে দেয়া হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ এর প্রভাবে গত ২ দিন ধরে পিরোজপুর সহ দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে। বুধবারের ভরা পূর্ণিমার অস্বাভাবিক জোয়ারের পানি জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে, সেসঙ্গে কয়েকফুট উচ্চতায় প্লাবিত হয় নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল। এতে দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন সাধারণ মানুষ। বুধবার দিনগত রাতেও দমকা হাওয়ার সঙ্গে বেশিরভাগ সময়ে আকাশ ছিল মেঘলা, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও হয়েছে মাঝে মাঝে।
জেলা কন্ট্রোল রুম কর্তৃক সম্পূর্ণ তথ্য না পেলেও জেলা কৃষি বিভাগ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী জানাযায়, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জেলার মঠবাড়িয়া, ইন্দুরকানী, ভান্ডারিয়া, কাউখালী,নাজিরপুর ও সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চল জোয়ারের পানিতে ডুবে বেশ কিছু বেরীবাধ ভেঙ্গে জোয়ারের পানিতে এসব অঞ্চলের কাঁচা রাস্তার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি মাছের ঘের,ধান-রবিশষ্য ও পানের বরজের ক্ষতিসাধন হয়েছে।
জেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানাযায়, জেলার ৭টি উপজেলায় আবাদকৃত ১৬৭ হেঃ আউষ ধানের বীজতলা, ৭ হাজার ৩১৮ হেঃ আবাদী জমি, ১হাজার ৩৩৫ হেঃ সব্জি ক্ষেত, ১৪১ হেঃ পানের বরজ সহ ২১২ হেঃ বিভিন্ন রবিশষ্যের ক্ষেত সম্পূর্ণ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শুধু মাত্র মঠাড়িয়া উপজেলায় ৫ হেঃ জমির মুগ ডাল পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারন দপ্তরের উপ পরিচালক চিন্ময় রায় জানান, এ ভাবে আর ১/২ দিন জোয়ারের পানি থাকলে ডুবে যাওয়া এ সকল সব্জির ক্ষেতের এবং ধানের বীজতলা ও চারা সম্পুর্ণ পচেঁ নস্ট হয়ে যাবে।
এ দিকে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এম এ বারী জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জেলার মঠবাড়িয়া, ইন্দুরকানী, ভান্ডারিয়া, কাউখালী,নাজিরপুর ও সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চল জোয়ারের পানিতে ডুবে যাওয়ায় ৫৯৬ হেক্টর জলাশয়ের ২ হাজার ১৫৭টি ঘের-পুকুর তলিয়ে পুকুর ও ঘেরের সব মাছ কম বেশি বের হয়ে গেছে। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হয়েছে প্রায় ৫ কোটি ৬০ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে চাষিদের।
মঠাড়িয়য়ার মাঝেরচর, ক্ষেতাচিড়া, কচুবাড়িয়া, খেজরিবাড়িয়া,ভোলমারা, বড়মাছুয়া সহ ইন্দুরকানী উপজেলার নদীতীরবর্তী বিস্তির্ণ এলাকার বেরীবাধ জোয়ারের পানির তোড়ে ভেসে গেছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান মোবাইলে এত ক্ষয়-ক্ষতির কথা অস্বীকার করে জানান, অস্বাভাবিক জোয়ারের তোড়ে মাঝেরচর সহ,বড় মাছুয়া, পিরোজপুর –ইন্দুরকানী ও ভান্ডারিয়ার তেলিখালী নদীর বড় একটি অংশ ভেঙ্গে গেছে। যার ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ টাকার মত। পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধে কাজ করে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কথার প্রতিবাদ জানিয়ে মঠবাড়িয়া, ইন্দুরকানী ও ভান্ডারিয়া এলাকার মানুষ জন জানান, ঘূর্ণীঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার জোয়ারের তোড়ে এলাকার ১৫ থেকে ২০ কিঃমিঃ বেরিবাধ সম্পূর্ণ ভেসে গেছে।
জেলা ত্রান ও পূণর্বাসন কর্মকর্তা মো. মোজাহারুল হক জানান, নদী তীরবর্তী ৩/৪ স্থানের বেরিবাধ ভেঙ্গে প্রায় ৫০ টি গ্রাম তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫ হাজার পরিবার প্লাবিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় ১৫ হাজার ৫ শত মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছে।
জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ঘূর্ণীঝড় ইয়াসের আঘাতে সারা দেশের ন্যায় পিরোজপুরেও কম-বেশী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্মাতের মাধ্যমে খোজ খবর নিয়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য তুলে ধরে আপনাদের জানানো হবে। তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই উপজেলা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা পৌছে দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

x

Check Also

কাউখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দিনমজুরের মৃত্যু

কাউখালী প্রতিনিধি 🔻 পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার গান্ডতা গ্রামের মোজাব্বেল (৬৪) নামের এক বৃদ্ধ দিনমজুর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ...