মির্জা খালেদ, পাথরঘাটা(বরগুনা)  >

বিপন্ন পাখি লক্ষ্মীপেঁচা  সবজি ক্ষেতের সুরক্ষা নাইলনের  জালে আটকা পড়েছিল । পাখিটি প্রাণান্তকর চেষ্টার পরেও জালের ফাঁদ থেকে মুক্ত হতে পারছিলনা। বিপন্ন পাখিটির এমন দুর্দশা চোখে পড়ে  মো. শিবলী সাদিক নামে এক যুবকের।পাখিপ্রাণ শিবলী পাখির এমন দশা দেখে এগিয়ে যান। তারপর পাখিটিকে ওই যুবক জাল থেকে মুক্ত করে শুশ্রুষা দেন।  শুক্রবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার একটি সবজি ক্ষেত থেকে বিপন্ন পাখিটিকে উদ্ধার হলে প্রাণে বাঁচে পেঁচাটি। আহত পাখিটির চিকিৎসারও ব্যবস্থা করেন শিবলী । তারপর সন্ধ্যায় গহীন বনে অবমুক্ত করে দেন  নিশাচর  পাখিটিকে।

স্থানয়িদের সূত্রে জানাগেছে, পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলমঙ্গীর হোসেনের বাড়ির সবজি ক্ষেত রক্ষার জালে পেঁচিয়ে তাতে বন্দী হয়েছিল লক্ষ্মীপেঁচাটি। সকালে আলমঙ্গীর হোসেনের ছেলে ও শহরের জিয়া ময়দানের ব্যবসায়ী মো. শিবলী সাদিক পেঁচাটিকে উদ্ধার করেন। জালে আটকেপড়া লক্ষ্মীপেঁচাটি সারারাত মুক্ত হওয়ার চেষ্টায় সামান্য আহত হয়।

শিবলী সাদিক স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, পাখিটির একটি পায়ের চামড়া সামান্য থেতলে গেলে তার চিকিৎসা প্রদান করা হয়। বনের পাখি বনে ছাড়ার উদ্যোগ নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু রিভার ভিউর নিকটস্থ বনে অবমুক্ত করে দেওয়া হয়।পাখি আমাদের প্রাণ বৈচিত্র্যের অংশ। বিপন্ন পাখি বাঁচানোর নৈতিক দায়িত্ব আমাদের সকলের।

বন বিভাগের পাথরঘাটা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সোলায়মান হাওলাদার বলেন, “পেঁচা একটি নিশাচর ও প্রকৃতিবান্ধব প্রাণি। বনের প্রাণি বনে ছেড়ে ওই যুবক জীবে দয়ার একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।”

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন