বিশেষ প্রতিনিধি >>

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।  ঐতিহ্য ও গৌরবের সংগঠন ছাত্রলীগ। আগামী ১১ মে  ছাত্রলীগের ২৯ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা । এ বিষয়ে চূড়ান্ত প্রস্তুতিও শুরু করেছে সংগঠনটি। ইতিমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট হিসাবে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও সেগুলোতে কোনো কমিটি ঘোষণা হয়নি।

কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগে শীর্ষ নেতৃত্বে কারা আসছেন এমন আলোচনা চলছে। পদপ্রত্যাশারীরাও নানামূখী তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে। শেষ মুহুর্তে আলোচনায় থাকা অনেকেই দলীয় সভানেত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা, যারা সাবেক ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে ছিলেন তাদের অফিসে, বাসায় নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছেন অনেকে।

ছাত্রলীগের নেতৃত্বে অযাচিত কেউ যেন আসতে না পারে, সে জন্য পদপ্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্তের পাশাপাশি তাদের পারিবারিক পরিচয়ও দেখা হচ্ছে বলে জানাগেছে। আগামী ১১ মে সম্মেলনকে সামনে রেখে গত সোমবার আওয়ামী লীগের নেতাদেরকে ডেকে নিয়ে কথা বলেছেন দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি নেতৃত্ব নির্বাচনে তার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগের নানা কর্মকাণ্ডে ক্ষমতাসীন দলকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। নেতা-কর্মীদের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এমনকি হত্যায় সম্পৃক্ততার অভিযোগের পর বিরক্তি প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারাও। আর বারবার আলোচনায় এসেছে সংগঠনে অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়ে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধ রাজনৈতিক আদর্শের পরিবারের সদস্যরাও ছাত্রলীগের নেতৃত্বে এসেছে, বারবার এটি প্রমাণ হয়েছে। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনাও সইতে হয়েছে সংগঠনটির। নানা সময় দেখা গেছে, নেতারা দল ভারী করতে বিতর্কিতদেরকে সংগঠনে নিয়ে আসে। তাই এবারের জাতীয় সম্মেলনের আগে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আর ছাত্রলীগকে নতুন মডেলে ঢেলে সাজানোর কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

এদিক, আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ কয়েকটি সূত্রের মাধ্যমে গনমাধ্যমে প্রকাশিত জানিয়েছে, ইতিমধ্যে শীর্ষপদের দৌঁড়ে এগিয়ে রয়েছেন এমন ২১ জনের তালিকা নিয়ে কাজ করছেন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে শুরু করে গবেষণা সংস্থা সিআরআই। তাদেরকে আগামী সম্মেলনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমানে ভাইভা পরীক্ষার মুখোমুখি করা হতে পারে। তবে এটা কবে হবে সেটা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে সম্মেলনের দুইদিন আগেই এমনটা হতে পারে। সেই তালিকায় আলোচনায় পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার দুই কৃতি সন্তান। এই ২১ জনের মধ্যে ৪ জন নারী নেত্রীও রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ছাত্রলীগকে কোনোভাবেই নষ্ট করতে দেয়া হবে না বলেও হুশিঁয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফলে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব মেধাবিদের হাতেই উঠবে এমন আশাবাদ এবার।

ছাত্রলীগের একাধিক সূত্রমতে মঠবাড়িয়ার কৃতি সন্তান মো. বরকত হোসেন হাওলাদার ও মামুন বিন সাত্তার এর নাম আলোচনায় উঠে আসছে। এবার ছাত্রলগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে এ কৃতি দুই মেধাবি ছাত্রনেতা  মঠবাড়িয়ার মুখ উজ্জল করবেন বলে অনেকেরই আশা। মো. বরকত হোসেন হাওলাদার কৃষি বিষয়ক সম্পাদক,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও সাবেক সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি যোগ্য , সৎ , বুদ্ধিদীপ্ত ও নির্ভীক রাজপথের সৈনিক। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া ও দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চাওয়া অনুযায়ী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী। যিনি রক্ত ও অস্থি-মজ্জায় বাংলাদেশ ছাত্রলীকে লালন ও ধারন করে বেড়ে উঠেছেন। যাকে বাংলাদেশে ছাত্রলীগের দায়িত্ব দিলে এ ভার বহন করার ক্ষমতা রাখে। তার পরিবার একটি রাজনৈতিক পরিবাব না হলেও আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা পরিবার তার বাবা মোঃ আফজাল হোসেন মা মিসেস্ নুরুন্নাহার দুজনেই অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক। তার এক ভাই এক বোন। বড় ভাই উপজেলা যুবলীগ নেতা মোঃ নুরুল আমিন রাসেল বোন আবিদা সুলতানা বি এস সি ইঞ্জিনিয়ারিং অধ্যায়নরত। তিনি সংগীত বিভাগে অধ্যায়নরত।ক্যাম্পাসে জনপ্রিয় ছাত্রনেতাদের মধ্যে অন্যতম।পরিচ্ছন্ন ইমেজের অধিকারী,সুবক্তা। সাংগঠনিকভাবে দক্ষ এই তরুণ ইতোমধ্যেই আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন।

অপরদিকে মামুন বিন সাত্তার -সাংগঠনিক সম্পাদক,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।তিনি যোগ্য , সৎ , বুদ্ধিদীপ্ত ও নির্ভীক রাজপথের সৈনিক।জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া ও দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চাওয়া অনুযায়ী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী। যিনি রক্ত ও অস্থি-মজ্জায় বাংলাদেশ ছাত্রলীকে লালন ও ধারন করে বেড়ে উঠেছেন। যাকে বাংলাদেশে ছাত্রলীগের দায়িত্ব দিলে এ ভার বহন করার ক্ষমতা রাখে। বিভিন্ন সময় ছাত্রলীগের নেতাদের তার পক্ষে পোষ্ট দেখে মুগ্ধ হয়ে আজ এই লেখাটি লিখলাম। তার পরিবার একটি রাজনৈতিক পরিবার। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ৮নং আসামী ও মুক্তি যুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার এম এ জলিলর সহযোগী সাব কমান্ডার মঠবাড়িয়া আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ঐতিহাসিক নেতা কর্পোরাল এম.এ. সামাদ মৃধার নাতি। তার বড় চাচা আব্দুল আজিজ মৃধা(কন্ট্রাকটার) মঠবাড়িয়া থানা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ থেকে বি.এস.সি(সম্মান) কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেছেন। ক্যাম্পাসে জনপ্রিয় ছাত্রনেতাদের মধ্যে অন্যতম।পরিচ্ছন্ন ইমেজের অধিকারী ও সুবক্তা। সাংগঠনিকভাবে দক্ষ এই তরুণ ইতোমধ্যেই আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে মঠবাড়িয়ার আরও দুইজন মেধাবি ছাত্রনেতার নামও আলোচিত হচ্ছে । পরবর্তী প্রতিবেদনে এ নিয়ে বিস্তারিত আসছে আজকের মঠবাড়িয়ায়।

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন