অামাদের অাশেপাশে সবাই কোন না কোন ভাবে ডিপ্রেশনে ভোগে। শিশু থেকে বৃদ্ধ সকল বয়সের মানুষই ডিপ্রেশন ভুগতে পারে। এটি আসলে একটি রোগ। যা প্রশমন করা না গেলে জীবন বিপন্ন হতে পারে।
.
প্রেমিকাকে প্রচন্ড ভালোবেসে নিজের জীবন দিয়ে দেওয়া ছেলেটাও প্রেমিকার কাছ থেকে বার বার অবহেলা পেয়ে ডিপ্রেশন ভোগে।
.
ভুগতে হয়।
.
ভালোবেসে বিয়ে করে বৃদ্ধ হয় এক কাপল। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে স্বামীকে হারিয়ে প্রচন্ড ডিপ্রেশনে ভোগে ওই বৃদ্ধ প্রেমিকা।
.
কেরিয়ার গঠনের জন্য বিদেশে পাড়ি জমায় ছেলে। বিদেশে খারাপ অবস্থায় থাকলেও দেশে ফোন দিয়ে ঠিকই বলে –
– ভালো অাছি।
কিন্তু মায়ের মন কথা বোঝে না অন্তর বোঝে। ছেলে কথা চিন্তা করে তখনই মা ডিপ্রেশনে ভোগে।
.
কালকে পরিক্ষা যেনে, কিছুই তো পড়লাম না। বই খুলে পড়া দেখে ডিপ্রেশনে পরে ওই ছাত্র/ছাত্রী।
.
তবে ডিপ্রেশন খুব খারাপ জিনিস। এটাকে স্থায়ী করা ঠিক না। কারন,  অনুসন্ধান বলছে অামাদের দেশের অধিকাংশ সুইসাইডের কারন এই ডিপ্রেশন।
.
ডিপ্রেশন সাধারনত “মায়া ” থেকে হয়। মায়াকে মায়া করলেই ডিপ্রেশনে পড়তে হয়। মায়াকে মায়া করলে মায়ারা অামাদের মায়া করা ছেড়ে দিবে। তাই মায়াকে মায়া করা যাবে না।
.
ডিপ্রেশন যত হৃদয়ে লালিত করবেন ততই অাপনার সুইসাইডাল চিন্তা বাড়তে থাকবে। তাই অাজকে এখন থেকে ডিপ্রেশনকে না বলে সামনে এগিয়ে যান।

লেখক > শিক্ষার্থী, পিরোজপুর সোহরাওয়ার্দি কলেজ।

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন