ঢাকা : বিএনপি ও জাতীয় পার্টির আবেদন সত্ত্বেও আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন না পেছানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়া সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়ার যে দাবি নিয়ে গিয়েছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তাও নাকচ করে দেয়া হয়েছে।

সোমবার দলগুলোর বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে কমিশন সভার বৈঠক হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে কমিশনার বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় বলে কমিশন সূত্রে জানা যায়।

গতকাল রোববার বিএনপি নির্বাচন পেছানোসহ ১৫ দফা দাবি নিয়ে নির্বাচনে কমিশনে সিইসির সঙ্গে বৈঠক করেন।ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্যদের প্রচারণায় সুযোগ চেয়ে কমিশনে সিইসির কাছে আবেদন করেন। জাতীয় পার্টি মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ১০ দিন সময় বাড়ানো ও সংসদ সদস্যদের প্রচারণায় সুযোগ দেয়ার আবেদন করেন সিইসির কাছে।

এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনে কমিশন বৈঠক করা হয়। বৈঠকে পৌরসভা নির্বাচন না পেছানো ও সংসদের প্রচারণার সুযোগ না রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয় বলে কমিশন সূত্রে জানা যায়।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, ডিসেম্বররেই নির্বাচন করার আইনি বাধ্যবাধকতা আছে। তাছাড়া জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ব ইজতেমা, পরীক্ষা। আবার অনেক পৌরসভার মেয়াদ ৯০ দিন পার হয়ে যাবে। তখন আইনের ভায়োলেন্স সৃষ্টি হবে। নির্বাচন পেছালে নতুন ভোটার তালিকার ভোটারাও ভোট দিতে চাইবে। তাদের ভোট না দিতে দিলে অনেকেই মামলা করতে পারে। এসব বাড়তি ঝামেলা এড়াতে নির্বাচন না পেছানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন বলে জানান তারা।

এছাড়া আচরণ বিধি নিয়ে প্রথম থেকেই কমিশন নানা ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়েছে। এখন নতুন করে আওয়ামী লীগের দাবি মেনে আচরণ বিধিতে পরিবর্তন আনলে আবারও ইসিকে সমালোচনায় পড়তে হবে এজন্যে সংসদের প্রচারণার বিষয়টি বহাল রাখা হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান।

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন