বরগুনা আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মো. কামরুল আহসান মহারাজ

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেয়র প্রার্থী মো. কামরুল আহসান মহারাজ বরগুনা প্রেসক্লাবে এ ঘোষণা দেন।

সকালে ভোট শুরুর দেড় ঘণ্টার মধ্যে বরগুনা পৌর এলাকার গগণ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থীর পক্ষে সিল মারার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

কামরুল আহসান বলেন, “নির্বাচনে জাল ভোট দানসহ নানাভাবে কারচুপি হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা নিশ্চুপ রয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে তারা পক্ষপাতিত্ব করছেন।”

বরগুনা পৌরসভার নয়টি কেন্দ্র থেকে তিনি তার নির্বাচনী এজেন্টদের বের করে নিয়ে এসেছেন বলেও জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্জন করলেও দলের দুই নেতা ভোটে রয়েছেন, যারা আগে মেয়র ছিলেন। এর মধ্যে সাহাদাত হোসেন বিদায়ী ও শাহজাহান তার আগের মেয়র।

এছাড়া বিএনপির এস এম নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির আ. জলিল হাওলাদার, এনপিপির মাহবুবুল আলম মান্নু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ন কবীর এ পৌরসভার ভোটে রয়েছেন।

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন