জাহিদুল ইসলাম সিফাত (৩০) ও শহিদুল ইসলাম আরফাত

কক্সবাজার সদর উপজেলায় ঈদগাঁও ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় দুই ভাইয়ের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার হয়েছে, যারা সন্ত্রাসী মামলার আসামি ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, ডাকাতদের মধ্যে গোলাগুলিতে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়িঢালায় লাশ দুটি দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয় বলে ঈদগাঁও পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মিনহাজ মাহমুদ জানান।

নিহতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকার মোহাম্মদ আলমের ছেলে জাহিদুল ইসলাম সিফাত (৩০) ও শহিদুল ইসলাম আরফাত।

তাদের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে বলেও এই পুলিশ সদস্য জানান।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন বলেন, সিফাত ও আরফাত কক্সবাজার সদর থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী।

ভূমি দখল, হত্যা, ডাকাতি, ধর্ষণ, ছিনতাই ও অপহরণসহ সিফাতের বিরুদ্ধে ২২টি ও আরফাতের বিরুদ্ধে ২০টি মামলা রয়েছে, জানান তিনি।

“নিহত দুই ভাইয়ের সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে। তাদের হাতে শহরের বৃহত্তর পাহাড়তলীসহ আশপাশের এলাকার লোকজন জিম্মি ছিল। সম্ভবত অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে সংঘর্ষে এরা নিহত হয়েছেন।”

স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন, ভোরের দিকে ওই এলাকায় গোলাগুলির আওয়াজ শোনা গিয়েছিল।

ঈদগাঁও ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাকিমউদ্দিন বলেন, “ভোরের দিকে আমরা গোলাগুলির শব্দ শুনেছিলাম। আমার ধারণা, ডাকাতদের দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে এরা নিহত হয়েছে।”

ওই এলাকায় প্রায়ই ডাকাতির ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

ময়নাতদন্তের জন্য লাশ দুটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন