সাদা কাঁক(মেহেদী হাসান) : দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে মঠবাড়িয়া সরকারী কলেজের একমাত্র অডিটোরিয়ামটি। সরোজমিনে এটি পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখা যায় এর বর্তমান বেহাল অবস্থা।ছাত্র ছাত্রীদের সাংস্কৃতি বিকাশের অন্যতম এই মিলনায়তনটি প্রশাসনের অবহেলা কিংবা বেখেয়ালে বর্তমানে এই করুন অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। দরজা-জানালা ভাঙা এবং দেয়াল থেকে সিমেন্ট-বালির আস্তরণ খসে পড়তে দেখলেই বোঝা যায় এ ভবনটি কতোদিনের পরিত্যক্ত ।টিনের চালের ফুটো দেখলে বুঝতে বাকি থাকেনা এটি কতোদিন এভাবে অবহেলায় পড়ে আছে। আর ভেতরের পরিবেশের কথা না হয় নাইবা লিখলাম – পাঠক আমাদের ধারণকৃত প্রামান্যচিত্রে স্বচক্ষে দেখে নিবেন।অথচ একসময় এই কক্ষটি হাজার সাংস্কৃতিমনা শিক্ষার্থীর প্রাণ স্পন্দনে মুখোরিত ছিলো ।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, অডিটোরিয়ামটি পরিত্যক্ত থাকায় বর্তমানে কলেজের সকল সাংস্কৃতিক কার্যক্রমগুলো হচ্ছে ক্লাসরুম ভিত্তিক। ফলে প্রায় সময়ই শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ হচ্ছে। এই পরিত্যক্ত ভবনটি নিরাপদ ভেবে রাতের আঁধারে বখাটেরা এর ভেতর অসামাজিক কার্যক্রমে লিপ্ত থাকে। কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রায়ই পুলিশ ডেকে বখাটেদের ধরিয়ে দিয়েছেন বলেও জানা যায়।

আডিটোরিয়াম সম্বন্ধে কলেজের উচ্চমাধ্যমিক ১ম ও ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আল আমিন হোসেন এবং মোঃ রায়হান রেজা সহ কয়েকজন শিক্ষার্থী আমাদের কে জানান,কলেজে ভর্তি হওয়ার পর তারা অডিটোরিয়ামটি পরিত্যক্ত অবস্থায় দেখছে এবং তাদেরকে ক্লাসরুমে নবীন বরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বরণ করা হয়। এছাড়া কলেজে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড গুলো ক্লাসরুম ভিক্তিক হওয়াতে সবাই বসার এমনকি দাড়িয়ে-মূল কথা প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান দেখারও সুযোগ পায়না। প্রমাণ্য চিত্রে আমাদের সাথে কথা বলেন বর্তমান কলেজ সংসদের ছাত্র নেতা মোঃ মশিউর রহমান মার্তুজা। তিনি অভিযোগ গুলো তুলে ধরেন এবং ছাত্র ছাত্রীদের পক্ষে কলেজ অডিটোরিয়ামের দ্রুত সুব্যবস্থা করার দাবি জানান ।

এ ব্যাপারে কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃগোলাম মোস্তফা বলেন, সংশ্লিষ্ট মহলের সাথে যোগাযোগ করে তিনি এখন পর্যাপ্ত যথাযথ কোন সাড়া পাননি। এ ব্যপারে মঠবাড়িয়ার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সাথে তিনি আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্মানিত অধ্যক্ষের সাক্ষাৎকার সহ সরকারি কলেজ নিয়ে আজকের মঠবাড়িয়া এবং বেলকুনি প্রডাকশনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত ভিডিওটি দেখে নিন এখানে

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন