রফিকুল ইসলাম রফিক, কাউখালী >
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা খাদ্য গুদামে ১৫মাস ধরে পড়ে থাকা ২০৬ মেট্রিক টন খাদ্যের অনুপযোগী পোকায় খাওয়া গম নিয়ে বিপাকে পড়েছে খাদ্য বিভাগ।
এ উপজেলায় রেশনিং ব্যবস্থা চালু না থাকা এবং নতুন কোনো প্রকল্প না থাকায় মজুদকৃত গম ব্যবহার করা যাচ্ছেনা। ফলে সময় যতো গড়াচ্ছে গমের মানও ততটা দ্রুত নিম্নমূখী হচ্ছে। ইতিমধ্যে গোডাউনেই পোকায় খেয়ে পাউডার করে ফেলছে। এক মাসের মধ্যে অপসারণ করা না হলে এ গম ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে বলে খাদ্য বিভাগ জানিয়েছে।

খাদ্য বিভাগ সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে ৩০০ মেট্রিক টন গম খাদ্য গুদামে মজুদ করা হয়। এর ৯৪ মেট্রিকটন গম বিতরণ করা হয়। স্থানীয় ওই নিন্মমানের গমের মধ্যে টিআর কর্মসুচীতে ৪০ মেট্রিকটন, খুলনা ওএমএস কর্মসুচীতে দুই কিস্তিতে ৫০ মেট্রিক টন, এবং ফায়ার সার্ভিসকে রেশন হিসেবে দেয়া হয় গম দেয়া হয়। বাকি ২০৬ মেট্রিক টন এভাবে অলস পড়ে থাকে গুদামে। যার বর্তমান বাজার মূল্য টন প্রতি ২৮ হাজার ৯৯৪ টাকা হিসাবে ৬৯ লাখ ৭২ হাজার ৯শ’ টাকা।
এখনই গমের মান মাঝামাঝি পর্যায় চলে এসেছে। আর একমাস পর এ গম আর কোনো কাজে আসবেনা জানায় খাদ্য বিভাগ।
উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ফারুক হোসাইন জানান, উপজেলায় নতুন কোনো খাত না থাকায় গম ব্যবহার করা যাচ্ছেনা। সময় মতো সরকারিভাবে পোকা প্রতিষোধক ওষুধ সরবরাহ না করায় আরও বেশি পোকায় আক্রমণ করে নষ্ট করে ফেলেছে। মাঝে মাঝে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে কীটনাশক কিনে ব্যবহার করেও পোকার আক্রমণ থেকে গম রক্ষা করতে পারছেন না।  এ ব্যাপারে  সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন বলে তিনি জানান।

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন