মেহেদী হাসান বাবু ফরাজি >

শ্রদ্ধেয় উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুর রহমান আপনাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আপনার ওপর আমার ব্যক্তিগতভাবে যেমনি আস্থা ও বিশ্বাস তেমনি আপনার প্রতি মঠবাড়িয়ার মানুষের আস্থা এবং ভরসাও অনেক। সেই আস্থা ও বিস্বাসে আপনাকে সবিনয়ে লিখছি।জনগণ ইতিমধ্যে বলা শুরু করেছে যে, এই রকম জনপ্রতিনিধিই আমাদের সকল ক্ষেত্রে দরকার। সালিশ ব্যবস্থা ন্যায় বিচার এই জায়গাটায়ে সব চেয়ে বেশী আলোচনা ।ইতিমধ্যে মঠবাড়িয়ায় আপনার ক্ষমতা বলে যতটুক উন্নয়ন মূলক কাজ আপনি চলেছেন প্রশংসনীয় তবে মঠবাড়িয়ার উন্নয়নের দিকে নজর দিতে হবে সমভাবে। আপনার যে বাড়তি সুবিধা আছে তা কিন্তু অন্যদের নেই। আপনার নির্বাচন সময়কাল ছিলো এক ভিন্ন সময়। আপনাকে আমার দুইদিন এর দেখাই ভাললেগে ছিলো তখন আপনি চেয়ারম্যান হননি। সেই ভাল লাগা থেকেই আপনারা প্রতি আমার বিশ্বাস জন্ম নিয়েছিল যে আপনি মঠবাড়িয়া জনগণেরসেবক হিসাবে সফল হবেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের জনসভায় নৌকায় ভোট চেয়ে সেই বক্তৃতা অনেকের মনে দোলা দিয়ে ছিলো। যাই হোক সেই নৌকার বিজয় আমরা দেখতে পারিনি।প্রায় এক বছর পর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। আমার খুব ভালো করে ম্মরণে আছে । আমি তখন ঢাকায়।জানতে পারি তৃণমূলের ভোটে মনোনয়ন পেলেন সাবেক ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুর রহমান ।ফোন দেই আমার রাজনীতিতে আসার উৎসাহ দাতা শ্রদ্ধেয় দাদা ইউসুফ মাহমুদ ফরাজি । যাই হোক তারপর এলাকায় এসে ইউনিয়ন কমিটির সাথে থেকে আপনার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেই। যে প্রসঙ্গটিতে আসতে চাই নির্বাচনী প্রচারনার উঠান বৈঠকে আমার হলতা গুলিসাখালালী ইউনিয়নের নিজ গ্রামে ……. ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমার শ্রদ্ধেয় চাচা এ কে আজাদ এবি প্রতিশ্রুতি দেন যে আপনারা যদি আমার আওয়ামীলীগ প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়লাভ করান তাহলে আমি আশরাফুর রহমান হয়ে কথা দিলাম আপনাদের এই রাস্তাটি ইটসোলিং করে দেব। আপনি নির্বাচিত হলেন। নির্বাচিত হবার পর ইউনিয়ন সফর শুরু করলেন আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো আমার বাড়িতে রাতের আতিথিয়েতা শেষে গ্রামের উপচে পরা মানুষের ভালবাসায় শিক্ত হয়ে ছিলেন আপনি। আপনি তখন তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা খুব মনযোগ সহকারে শুনছিলেন। গ্রামের মানুষ বেহাল রাস্তাটা পাকা করার দাবি জানালে আপনি তাদের কথা দিয়েছিলেন। কিন্তু আজ আপনার মেয়াদের দুই বছর শেষ আজও সেই রাস্তাটা হয়নি। আজ সৌদি আরব থেকে গ্রামের নিতান্ত এক ভদ্রলোকের সাথে অনেক ক্ষন কথা হল তিনি বললেন, কই তোমার উপজেলা চেয়ারম্যান আমাদের রাস্তাটার কি করলো দুই বছর তো শেষ। ভোটের সময় কত প্রতিশ্রুতি আর এখন। আমি তাকে বলি, দেখেন তার পরিষদের ক্ষমতা নাই এক সাথে এত বড় রাস্তা করার । তিনি বলেন আমাদের ওয়ার্ড এর মাত্র চারটি রাস্তা তার একটি পাকা একটির অর্ধেক ইট বাকি দুটোর একটি মল্লিক বাড়ির সেটা কিন্তু তোমার চেয়ারম্যান দুই বছরে করে দিয়েছে আর যেটি বাকি তার পূর্ব পাশ দিয়ে শুরু করে ওই গ্রাম শেষ করে দিয়েছে সেটাও তোমার চেয়ারম্যান দিয়েছে আর অর্ধেক যেটার কাচা সেটাও তোমার চেয়ারম্যান ৫০০ফুট দিয়ে শুরু করেছে বাকি শুধু আমাদের টা এত দিন দিলে এই দুইবছরে ১হাজার ফুট ১হাজার ফুট ২হাজার হয়ে যেত। আমাদের নতুন মেম্বার ইয়াকুব ফরাজী সে কিন্তু এবার তার ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে ২০০ফুট রাস্তার কাজ শুরু দিছে। ’আমি তাকে বলি যে ভাই আমি উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলব। আসলে তার কথা গুলো খুব তাড়া করছিলো মাথার মধ্যে আপনাকে ফোন দিয়ে ছিলাম হতো আপনার ব্যস্ততার কারনে ফোন ধরেন নি। তাই আপনার কাছে এই খোলা চিঠি আমার বিশ্বাস আপনি আপনার মেয়াদ কালের মধ্যে আমাদের গ্রামের খাঁ বাড়ি থেকে আব্দুর রশীদ ফরাজী বাড়ি অবধি রাস্তাটি পর্যায়ক্রমে হলেও পাকা করণে দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন। আমি মনে করি উপজেলা নির্বাচনের কথা মানুষ ভুলে গেছে আপনার কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতার কারণে। তবে আপনার প্রতি একটি অনুরোধ, জনগণের নেতা হতে হবে।আর সেটা আপনার মধ্যে শতভাগ আছে বলে মনে করি। আপনার সর্বাঙ্গীণ সফলতা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। ১২. ১২. ২০১৬ সৌদি আরব

 

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন