শেরে বাংলা স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কবি মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদ কে. এম. লতিফ ইনস্টিটিউশন, মঠবাড়িয়া এর দানকৃত জমিতে ১৯৮৪ সালে শেরে বাংলা সাধারণ পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি লেঃ জেনারেল এইচ. এম. এরশাদ মহোদয় পাঠাগারটি উদ্বোধন করেন। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে দ্বি তল পাঠাগার ভবনটির একটি কক্ষ ছাড়া অবশিষ্ট কক্ষগুলো পর্যায়ক্রমে একাধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দখলে থাকায় পাঠকদের দাবির মুখে মঠবাড়িয়া প্রি ক্যাডেট ইনস্টিটিউশন কর্তৃপক্ষ ২০১৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর একটি কক্ষের চাবি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাহেবের নিকট হস্তান্তর করেন এবং সম্পুর্ণ ভবনটি ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ছেড়ে দেয়ার অঙ্গিকার করেন। উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সাল থেকে মঠবাড়িয়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ১ জন কর্মচারীর দ্বারা ক্ষুদ্র পরিসরে (১টি কক্ষে) দৈনিক ২ ঘন্টা পাঠাগারটি চালু রাখেন। বর্তমানে পাঠাগার ভবনটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ। জানালাগুলো ভেঙ্গে গিয়েছে। বর্ষাকালে ছাদ থেকে পানি পড়ে। পাঠাগারে প্রায় ২০০০ বই আছে। আসবাবপত্র এর অভাবে অনেক বই ফ্লোরে রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত চেয়ার ও টেবিলের অভাবে পাঠকদের ভোগান্তি হচ্ছে। জনাব ডঃ মোঃ রুস্তম আলি ফরাজী সাহেব ১৯৯৬ -২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ৩ বার। পাঠাগারটি উন্নয়নে তিনি আজ পর্যন্ত কোনো অবদান রাখেননি। তিনি ১৯৯৬ সাল থেকে আজ পর্যন্ত পাঠাগার ভবনে মঠবাড়িয়া প্রি ক্যাডেট ইনস্টিটিউশনের কার্যক্রম চালু রেখে পাঠাগারের কার্যক্রম ব্যাহত করেছেন।

উল্লেখ্য, প্রি ক্যাডেট ইনস্টিটিউশন তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়ে আসছে। ২০১৭ সাল থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাহেবের নেতৃত্বে একটি পরিচালনা কমিটি পাঠাগারটি পরিচালনা করে আসছেন। পাঠাগার জ্ঞানের ভান্ডার। এখানে বন্দী থাকে মানুষের চিন্তা-ভাবনা ও ধ্যান-ধারণা। পাঠাগার সভ্যতার ধারক ও বাহক। পৃথিবীর বিভিন্ন সভ্যতা ও বিভিন্ন জাতির ইতিহাস আমরা জানতে পারি বই পড়ে, আর বই সংগ্রহ থাকে পাঠাগারে।
অতএব, জনস্বার্থে পাঠাগারটি সরকারিকরনের জন্যে সদাশয় সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন