মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি >>

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা সদরের সরকারি বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন কচুয়াকাঠী খালের ওপর লোহার সেতু ভেঙ্গে খালে পড়েছে। শুক্রবার বিকালে হঠাৎ পুরানো সেতুটি দেবে গিয়ে একমাথা ভেঙে খালে পড়ে যায়। পরে প্রবল বর্ষণ ও জোয়ারের তোড়ে েিসতুর মাঝখানে ভেঙ্গে পড়ে। এতে শহরের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিপাকে পড়ছেন সেতু সংশ্লিষ্ট কয়েক হাজার জনসাধারণ ও ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

সেতুটি ভেঙে পড়ায় সম্প্রতি কাউখালী থানা পুলিশের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় লাল পতাকা গেড়ে এ সেতুর উপর দিয়ে সকল প্রকার যানবাহন ও মানুষের চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছি। এর পর শুক্রবআর বিকালে সেতুটি ভেঙে খালে পড়ে যায়। এখন যে কোন মুহূর্তে সম্পূর্ণ ধসে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর ২০ বছর আগে কচুয়াকাঠী খালের ওপর এ লোহার সেতুটি নির্মাণ করে। দীর্ঘদীনে সেতুটি সংস্কার না হওয়ায় কয়েকবছর আগে ঝু*কিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ঝুঁকিপূণ সেতু দিয়েই প্রতিদিন শহরের এস,বি সরকারী বালিকা বিদ্যালয়, আমরাজুড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাজী হারুন আর-রশীদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীসহ কয়েক হাজার মানুষ দুর্ঘটনার শঙ্কা মাথায় নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে আসছিলেন। এ ছাড়া সেতু দিয়ে কাউখালী খাদ্য গুদামের মালামাল পরিবহন হয়ে আসছে।
দীর্ঘদিন ধরে পুরানো সেতুটি নড়বড়ে হয়ে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে । এটি সংস্কারের অভাবে নড়বড়ে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছিল।
স্থানীয় ব্যবসায়ি বাবুল সিকদার জানান, ২০ বছরের পুরানো লোহার কাঠামোয় সিমেন্টের ঢালাই দেয়া সেতুর নিচের ক্রস অ্যাঙ্গেলগুলো মরিচা ধরে নড়বড়ে হয়ে পড়ায় শুক্রবার বিকালে সেতুটি ভেঙে পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সেতু সংশ্লিষ্ট কয়েকহাজার মান ও ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

কাউখালী এসবি সরকারী বালিকা বিদলয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান. সেতু ভেঙে পড়ায় জনসাধারণের চলাচলে দুর্ভোগই নয় প্রতিষ্ঠানের ৬০০ শিক্ষার্থীকে বহুপথ ঘুওে বিদ্যালয়ে আসতে হচ্ছে। এছাড়া এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ায় চলাচলে আরও দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।

কাউখালী সদর ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রশীদ মিলটন সেতু ভেঙে পড়ার বিষযটি নিশ্চিত করে জানান, সেতুটি এলজিইডির আওতাধীন কচুয়াকাঠী খালের ওপর ২০ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল।প্রথমে এটির মাঝ বরাবর দেবে গিয়ে পরে ভেঙ্গে খালে পড়ে যাওয়ায় সড়ক পথে যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ সেতটি অতি দ্রুত পূণনির্মাণ প্রয়োজন।

এ বিষয়ে কাউখালী এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী হরষিত সাহা সেতু ভেঙে জনদুর্ভোগের কথা স্বীকার কওে বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন