জঙ্গিবাদের নির্দয় ছোবল,অস্থিরতায় নিমগ্ন সামাজিক রাজনৈতিক আবহে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের তারুণ্য আজ বিবর্ণ মলিন,এই অসচেতন আবেগ আর নান্দনিকতা বর্জিত নিমগ্নতা আমাদের ভাবায় এবং ভীষণ ভাবেই ভাবায়।
জঙ্গিরা আমাদের মতো তরুণদের ধর্মের দোহাই দিয়ে তাদের দলে ভেড়ায়,,আর একথাও সত্য যে ,সব মানুষই তার নিজস্ব ধর্মের উপর দূর্বল। অথচ ধির্ম শান্তির বিধান। ধর্ম মানুষকে উদার ও সহমর্মী হতে শেখায়। ধর্ম মানুষকে মানবিক গুণের অধিকারী হিসেবে গড়ে তোলে। ধর্মে কোথাও সন্ত্রাস আর নির্মমতার স্থান নেই। তাই ধর্ম আসলে সভ্যতার জীবন বিধান।
দুর্ভাবনার বিষয় এই জঙ্গিরা একটা উপায় বের করেছে, যেকোনো মানুষকে যদি তার ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বোকা বানানো যায়,তাহলে ওই লোকটাকে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব, যার শ্বীকার হচ্ছে এদেশের হাজার হাজার তরুণ,ইসলামে জঙ্গিবাদ,বোমাবাজের কোনো স্থান নেই,যেটা বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ(সঃ)প্রমাণ করে গেছেন,সুতরাং নতুন প্রজন্মের মন আর মননকে মলিনতা থেকে বের করে এনে স্বাজাত্যবোধের বীজতলায় লালন করার জন্য অভিভাবক ও শিক্ষকদের একটা বড় দায়িত্ব পালম করতে হবে,সেটা হলো কোনো তরুণকে অন্ধ ধর্মবিশ্বাসী হতে দেওয়া যাবে না।তাদেরকে সৃজনশীল মানসিকতায় দীক্ষিত করতে হবে।
আমাদের তরুণদের মধ্য থেকেই হয়তো একদিন কেউ কেউ হয়ে উঠবে আগামীর যশস্বী লেখক কিংবা কবি;গীতিকার কিংবা সুরকার;দেশপ্রেমিক কিংবা অনিয়মের নিয়ম ভাঙতে বিদ্রোহী!
জঙ্গিরা আমাদের দেশের মেধা নষ্ট করার জন্য,দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ধ্বংস করার জন্য,এইসব সুপ্ত প্রতিভাবান তরুণদের ভুল পথে টেনে নিয়ে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে,যার ফলশ্রুতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে,জঙ্গি কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়া ব্যক্তির পরিবার এবং সমাজের মানুষ
পরিশেষে শুধু এটুকু বলতে চাই,সারাদেশে একসাথে সব জঙ্গি নির্মূল করা সম্ভব নয়।আপনি নিজে আপনার    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,পরিবার,এলাকা জঙ্গিমুক্ত রাখার পরিকল্পনা গহণ করুন এভাবে তৃণমূল পর্যায়ে যদি জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করা যায়,তাহলে স্বাধীনতার সুফল বাংলার প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে!
লেখক:>> আল আহাদ বাবু«মঠবাড়িয়া সরকারী কলেজ
 

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন