খালিদ আবু,পিরোজপুর >>
অবশেষে দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষিত পিরোজপুর বেকুটিয়া পয়েন্টে নির্মিত হচ্ছে ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু । ইতোমধ্যেই এ সেতুর দুই পাশের এপ্রোচ সড়ক নির্মানের জন্য জমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: সোহরাব হোসেন ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামাল হোসেন সেতু নির্মানের জন্য অধিগ্রহণ করা এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার কর্তৃক সীমানা নির্ধারন করেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামাল হোসেন জানান, বেকুটিয়া পয়েন্টে কঁচা নদীর উপরে ৮ম বাংলাদেশ-চীনমৈত্রী সেতু নির্মাণ ও তার এপ্রোচ সড়কের জন্য পিরোজপুর সদর উপজেলাধীন জে,এল ৫৬ নং কুমিরমারা ও জে,এল ৫৮ নং গুয়াবাড়িয়া এবং কাউখালী উপজেলার জে,এল ৪১ নং বেকুটিয়া ও জে,এল ৪২ নং শংকরপুর মৌজার মোট ৩২.২১ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে।
তিনি আরো জানান, বর্তমান পিরোজপুরের ফেরী থেকে ৮৩৫ মিটার দক্ষিণে এবং কাউখালীর প্রান্তের বেকুটিয়া ফেরী ঘাট থেকে ১১৫ মিটার দক্ষিনে ১.৪৯ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১৩.৪ মিটার প্রস্ত এ সেতু নির্মিত হবে এবং ব্রিজের উভয় পাশে ১.৬ কিলোমিটার এপ্রোচ সড়ক নির্মান করা হবে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ জুন মাসে রাজধানীর সড়ক ভবনে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ব্রিজ ম্যানেজমেন্ট উইং এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পরিমল বিকাশ সুত্রধর এবং চীন সরকারের পক্ষে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা এজেন্সির ডেপুটি ডিরেক্টর জিয়াং জিং ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণের চূড়ান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। প্রাথমিকভাবে এই মূল সেতু নির্মাণের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ শত ২০ কোটি টাকা। যার পুরোটাই চীন সরকার অনুদান দিতে সম্মত হয়েছে। মূল সেতুর দুই দিকের সংযোগ সড়কের জমি অধিগ্রহণের মূল্য এবং সড়ক নির্মাণের খরচ বহন করবে বাংলাদেশ সরকার। এছাড়া নির্মাণ কাজে বিদ্যুৎ, মাটি ভরাট এবং চীনের প্রকৌশলীবৃন্দসহ চীনা কর্মীদের আবাসন ব্যবস্থার দায়িত্ব সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের।

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন