সাবেক বিশ্ব সুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রায়। কড়া ডোজের ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তিনি। পারিবারিক অশান্তির কারণেই নাকি সম্প্রতি নিজের জীবন শেষ করতে চেয়েছিলেন। এমনটাই দাবি করে ‘আউটলুক পাকিস্তান’ নামের একটি ওয়েবসাইট।

অচৈতন্য অবস্থায় ঐশ্বরিয়াকে দেখে তড়িঘড়ি চিকিৎসক ডেকে আনা হয়। অবশেষে পাকস্থলী পরিষ্কার করে তাকে বাঁচিয়ে তুলেন চিকিৎসকরা। এ ঘটনার সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেননি কেউই।

এ খবরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে খোদ ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যমও। তাদের অনেকেই খবরটাকে গুজব হিসেবেই দেখছে। সেই সঙ্গে বচ্চন পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কেউ মুখ খুলেননি। সব মিলিয়ে ওই লেখা নিয়ে বেশ থমথমে বলিউড। কেউই মন্তব্য করতে নারাজ! তবে বচ্চন পরিবারে ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে সমস্যা ছিল এবং আছে, তা মেনে নিচ্ছেন অনেকেই। কিন্তু সমস্যাটি যে আত্মহত্যা পর্যন্ত গড়াতে পারে না, তা নিয়ে তারা একমত।

গেলো ২ ডিসেম্বর ‘ঐশ্বরিয়া রাই আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন, বচ্চন পরিবারের সঙ্গে বিরোধ’ শিরোনামে খবরটি প্রকাশিত হয় ‘আউটলুক পাকিস্তান’-এ। আর ওই সংবাদে সেখানে কড়া ডোজের ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঐশ্বরিয়ার আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনায় বচ্চন পরিবারের দিকেই আঙুল তোলা হয়।

সেখানে বলা হয়, ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে আগে থেকেই পরিবারে সমস্যা ছিল। ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’-এ রণবীর কাপুরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের জেরে সেই পারিবারিক অশান্তি চরমে পৌঁছায়।

এমন কী শাশুড়ি জয়া বচ্চনও নাম না করেই প্রকাশ্যে কটাক্ষ করেন তাকে। আরো বলা হয়, তার বৈবাহিক জীবন যে সঙ্কটময় এটা কোনোভাবেই আর গোপন ছিল না। এর আগেও পুত্রবধূকে নিয়ে বচ্চন পরিবারের এমন অনেক গণ্ডগোলের খবর প্রকাশ্যে এসেছে বলে ওয়েবসাইটটির দাবি।

ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগও তোলা হয় বচ্চন পরিবারের বিরুদ্ধে। আর সেজন্যই নাকি হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে চিকিৎসককে বাড়িতেই ডাকা হয়। ‘আউটলুক পাকিস্তান’র দাবি, একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে খবর ফাঁস করে দেয়। ওই চিকিৎসকের উদ্ধৃত করে সেখানে লেখা হয়েছে, জ্ঞান ফেরার পর ঐশ্বরিয়া নাকি তাকে এও বলেছেন- ‘আমাকে মরতে দিন, এমন কষ্টকরভাবে বাঁচার থেকে মরে যাওয়া ভালো।’

তারকাদের নিয়ে আগেও বহুবার এমন খবর উত্তাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। ২০০৮-এ খোদ অমিতাভ বচ্চনকে নিয়ে এমন খবর ছড়িয়েছিল যে, তিনি মারা গেছেন। কিন্তু সেটা যে শুধুই গুজব, তা সবাই জানেন। এবার ঐশ্বরিয়ার আত্মহত্যার চেষ্টা সত্যি নাকি গুজব তা সময়ই বলে দেবে।

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন