মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি >

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সপ্তম শ্রেণী পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে  ধর্ষণ করার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভূক্তভোগি  স্কুল ছাত্রীর দিন মজুর বাবা বাদী হয়ে  ‍দুইজনকে আসামী করে আজ বুধবার বিকালে মঠবাড়িয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। পুলিশ অভিযুক্ত ধর্ষক মধূ মাতুব্বরকে গ্রেফতার করেছে।
মামলা সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের বাদুরতলী গ্রামের দিন মজুরের মেয়ে স্থানীয় একটি  স্কুলের ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী (১৪)এর সাথে  উপজেলার দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের মো. সেলিম মাতুব্বরের ছেলে মধূ মাতুব্বর (২৪) এর মোবাইল ফোনে পরিচয় ঘটে। ওই  সূত্র ধরে গত ১৫-১৬ দিন ধরে তাদের মধ্যে  সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

মঙ্গলবার সকালে মধূ মাতুব্বর মোবাইল ফোনে  কল করে স্কুল ছাত্রীকে  মিঠাখালী মাতুব্বর বাড়ির সেতুর ওপর দেখা করতে আসতে বলে। এরপর  স্কুল ছাত্রী  বাড়ি থেকে রওয়ানা দিয়ে সন্ধ্যায় মাতুব্বর বাড়ির সেতুর কাছে যায় । পরে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে স্কুল ছাত্রীকে মধূ মাতুব্বর রাস্তার পার্শ্বে তার দোকানে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে মধূ মাতুব্বর দোকানের ঝাপ আটকিয়ে দেয়। এসময় মধূ মাতুব্বর দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের ছালাম হাওলাদারের ছেলে মিরাজ হাওলাদার (২৬) কে দোকানের সামনে পাহারায় দাড় করিয়ে রাখে। পরে মধূ মাতুব্বর রাত নয়টার দিকে জোর পূর্বক ওই স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে স্কুল ছাত্রীকে ওই দোকান থেকে বের করে রাস্তার পাশের  একটি পরিত্যক্ত ঘরের মধ্যে রেখে আসে। উক্ত ঘরের মধ্যে থাকা অবস্থায় রাত ১১টা দিকে বখাটে মিরাজ হাওলাদার ঘরে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করলে স্কুল ছাত্রী ভয়ে ঘর থেকে বের হয়ে দৌড়ে পাশের সুলতান মল্লিকের বাড়ি গিয়ে আশ্রয় নেয়। পরে থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) শেখ সরোয়ার হোসেন জানান, ওই স্কুল ছাত্রীর ডাক্তারী পরীক্ষা  জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে সম্পন্ন করা হয়েছে। অভিযুক্ত ধর্ষক মধূ মাতুব্বরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন