পিরোজপুর প্রতিনিধি > পিরোজপুরের স্বরুপকাঠী উপজেলার জলাবাড়ি গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধর শনিবার এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। নিহত যুবকরের নাম মো. জসিমউদ্দিন পলাশ (৩০) হাওলাদার। সে উপজেলার দক্ষিন সমুদয়কাঠী গ্রামের আমির হোসেন হাওলাদারের ছেলে । এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা বাদের জন্য দুজনকে আটক করেছে পুরিশ।
নিহত পলাশের ছোট ভাই শিমুল হাওলাদার অভিযোগ করেন, শনিবার সকালে তার ভাই পার্শ্ববর্তী জলাবাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব জলাবাড়ি এলাকায় একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিল। এ সময় জলাবাড়ি ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আশীষ বড়াল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী মিলে পলাশকে একটি বিদ্যালয়ের ভেতর ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে স্কুলের সামনে লাশ ফেলে রেখে যায়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, গত ২২ মার্চ প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচনের ২ দিন আগে আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আশিষ বড়ালকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষ জেপি সমর্থিত প্রার্থী তহিদুল ইসলামের সমর্থকরা। এর জের ধরে ইউপি চেয়ারম্যান আশীষ বড়ালের সমর্থকরা জেপি প্রার্থীর সমর্থক পলাশকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করতে পারে বলে তাদের ধারনা।
তবে পুলিশ সূত্রে জানাযায়, সকালে পূর্ব জলাবাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি দোকানে নাস্তা করার সময় পলাশকে অজ্ঞাত ২ জন লোক মটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। পরে পূর্ব জলাবাড়ী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সংলগ্ন মাঠে পলাশের মরদেহ পরে থাকতে দেখে স্থানীয় এলাকাবাসী। এলাকাবাসী পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশ এসে পলাশের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও পা ভাঙ্গা অবস্থায় তার মৃত দেহ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে স্বরূপকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শক্রতার জের ধরে এ হত্যা কান্ড ঘটেছে। তবে তদন্তের পরে বিস্তারিত জানানো যাবে। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে পুলিশ স্বদেশ বড়াল ও রতন বেপারী নামে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। তিনি আরও জানান, পলাশ একটি হত্যা মামলার আসামী ছিল। গত ইউপি নির্বাচনের ২/৩ দিন আগে সে জামিনে মুক্ত হয়।
পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মো. ওয়ালিদ হোসেনসহ পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন