মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি <>

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বাঁশবুনীয়া গ্রামের মো. আরিফ হোসেন (১৮) নামের এক যুবককে মুত্যু রহস্য উদঘাটিত হয়েছে।  হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন সোহাগ হাওলাদার (২৮) নামের এক যুবক। আজ রোববার বিকেলে পিরোজপুরের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আবু বকর সিদ্দিকের কাছে সোহাগ হাওলাদার এ  স্বীকারোক্তি দেন। পরে  বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্শ দেন।

শনিবার রাতে পুলিশ উপজেলার বাঁশবুনীয়া গ্রাম থেকে সোহাগ হাওলাদারকে সন্ধেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করে। সোহাগ হাওলাদার বাঁশবুনীয়া গ্রামের মৃত: শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল বুধবার সকালে গ্রামবাসি উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়নের বড়শৌলা লতিফ মেম্বর বাড়ির সামনের তেতুলবাড়িয়া খালের বাধের পারে লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়।পরে পুলিশ ঘটনাস্থল হতে অজ্ঞাত হিসেবে ওই যুবকের দুই পায়ে রশি বাধা লাশ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঁশবাড়িয় গ্রামের নির্মাণ শ্রমিক আনোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রী ফরিদা বেগম ওই যুবকের লাশ তাদের চারদিন ধরে নিখোঁজ বড় ছেলে আরিফ হোসেনের বলে সনাক্ত করে।

নিহত যুবকের মা আহাজারি করে জানান, পোলায় অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত মাদ্রাসায় লেহা পড়া করে বন্ধ করে। অভাবের সংসারে মাঝে মাঝে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাত।

এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. গোলাম ছরোয়ার বলেন, গ্রেফতারকৃত সোহাগ হাওলাদা কে আজ রোববার দুপরে আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ আদালতের কাছে সে হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দী  দেয়।পরে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন