মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি >>

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ৬ নম্বর মধ্য বড়মাছুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী উর্মি আকাতারকে ধর্ষণ শেষে হত্যার প্রতিবাদ ও হত্যাকারী ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড মঠবাড়িয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে আজ রবিার বড়মাছুয়া ইউনিয়ন বাজারের প্রধান সড়কে ঘন্টাব্যাপী মাববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক জুড়ে এ মানববন্ধরেন মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, নিহত উর্মির পরিবারের সদস্যরাসহ তিন সহস্রাধিক বিক্ষুব্দ জনতা অংশ নেন।

শেষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ ফারুকের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন, আওয়ামীলীগ নেতা ডা. এম. নজরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম মোল্লা,আওয়ামীলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন মৃধা, পিরোজপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সম্পাদক খেলাফত হোসেন খসরু, শিক্ষক হামিদুল ইসলাম হেলাল, মো. মোশারফ হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মো. জাকির হোসেন ফকির, যুবলীগ নেতা মাইনুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মো. মারুফ হোসেন, সাংবাদিক মোস্তফা কামাল বুলেট ও নিহত শিশু উর্মির বাবা সাংবাদিক জুলফিকার আমীন সোহেল প্রমূখ।

সনমাবেশে বক্তারা শিশু উর্মি হত্যাকারী ধর্ষকদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।

উল্লেখ্য, মঠবাড়িয়া থেকে প্রকাশিত অনলাইন পত্রিকা মঠবাড়িয়া কন্ঠের নির্বাহী সম্পাদক জুলফিকার আমিন সোহেলের ছোট মেয়ে চতুর্থ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী উর্মি আক্তার নিখোঁজের তিনদিন পর গত ২৩ জুলাই সকালে বাড়ির অদুরে ডোবা থেকে গলায় ফাঁস লাগানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের শিশুটির বাবা জুলফিকার আমিন ওইদিন রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মঠবাড়িয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ এঘটনায় জিজ্ঞাসা বাদের জন্য উত্তর বড়মাছুয়া গ্রামের কুদ্দুস আকনের ছেলে ছগির আকন (৩৫)কে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে দুইদফা রিমান্ডে নেয়। তবে হত্যার রহস্য পুলিশ এখনও উদ্ঘাটন ও প্রকৃত হত্যাকারিদের সনাক্ত করতে পারেনি। এ ঘটনার প্রতিবাদে মঠবাড়িয়ায় অব্যহত প্রতিবাদ কর্মসূচি চলে আসছে।

SIMILAR ARTICLES

মন্তব্য নেই

মন্তব্য করুন